ED files two cases on I-PAC
Bengal liberty Desk, ১২ জানুয়ারি, কলকাতা: I-PAC -কাণ্ডে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (TMC) বিরুদ্ধে একযোগে দুটি মামলা দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED files two cases on I-PAC )। আজ, সোমবার একটি মামলা দায়ের করেছে ইডি নিজে (ED files two cases on I-PAC)। এবার ইডির তিন আধিকারিক—নিশান্ত কুমার (Nishant Kumar), বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা (Prashant Chandila)—পৃথকভাবে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। দুই মামলাতেই (ED files two cases on I-PAC) রাজ্যের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee), রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার (DG Rajeev Kumar), কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভর্মা (Kolkata Police Commissioner Manoj Kumar Verma), কলকাতা পুলিশের ডিসি প্রিয়ব্রত রায় (DC Priyabrata Roy) এবং সিবিআইযকে (CBI)।
ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত একটি মামলা কলকাতা হাই কোর্টে দায়ের করেছে ইডি (ED files two cases on I-PAC)। ওই মামলার শুনানি আগামী ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মুলতুবি রাখা হয়েছে। ইডির (ED files two cases on I-PAC) পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের আশঙ্কায় রাজ্য সরকার আগে থেকেই সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল (ED files two cases on I-PAC) করে রেখেছিল। যাতে ইডি যদি শীর্ষ আদালতে কোনও মামলা করে, তা হলে যেন উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার সুযোগ থাকে এবং একতরফা শুনানি (ED files two cases on I-PAC) না হয়।
প্রসঙ্গত, I-PACকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি (ED files two cases on I-PAC )। তবে শুক্রবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে ওই মামলার শুনানি শুরু করা যায়নি। এজলাস ত্যাগ করেন বিচারপতি ঘোষ (ED files two cases on I-PAC)।
মামলার সূত্রপাত (ED files two cases on I-PAC)

এই মামলার সূত্রপাত কয়লা পাচার (ED files two cases on I-PAC ) সংক্রান্ত তদন্ত থেকে। গত বৃহস্পতিবার আইপ্যাক সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের (Pratik Jain) বাড়ি এবং সল্টলেক সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের দফতরে তল্লাশি চালায় ইডি (ED files two cases on I-PAC case)। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২০ সালে সিবিআই কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি FIR দায়ের করে। সেই FIR-এর ভিত্তিতে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন (PMLA), ২০০২ অনুযায়ী তদন্ত শুরু করে ইডি। প্রায় ২,৭৪২ কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে তদন্ত চলছে কেন্দ্রীয় সংস্থার (ED files two cases on I-PAC)।
ইডির অভিযোগ (ED files two cases on I-PAC), এই বিপুল অর্থের একটি অংশ হাওয়ালা মারফত আইপ্যাকের (ED files two cases on I-PAC) কাজে ব্যবহৃত হয়েছে, বিশেষ করে গোয়ায়। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই দিল্লি ও কলকাতায় মোট ১০টি জায়গায় তল্লাশি (ED files two cases on I-PAC) চালানো হয়। তল্লাশির তালিকায় ছিল প্রতীকের বাড়ি এবং সল্টলেক সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের দফতর (ED files two cases on I-PAC)।

ইডির আরও দাবি (ED files two cases on I-PAC), তল্লাশির সময় রাজ্য পুলিশের সহায়তায় তাদের হেফাজত থেকে ‘অপরাধ সংক্রান্ত নথি’ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তল্লাশি চলাকালীন ডিজিটাল ডিভাইস-ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, হার্ডডিস্ক এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র জোর করে নিয়ে যাওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে (ED files two cases on I-PAC)। এর ফলে ডিজিটাল ফরেন্সিক নমুনা সংগ্রহের কাজ মাঝপথেই বন্ধ হয়ে যায় এবং তদন্ত গুরুতরভাবে ব্যাহত হয়েছে বলে দাবি ইডির (ED files two cases on I-PAC)।
এছাড়া, আইপ্যাকের দফতরে (ED files two cases on I-PAC) তল্লাশি শুরু হলেও রাজ্য পুলিশের বাধায় তদন্ত কার্যত এগোনো যায়নি বলেও অভিযোগ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (ED files two cases on I-PAC)। এই সমস্ত অভিযোগের ভিত্তিতেই রাজ্য ও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ইডির তরফে জোড়া মামলা (ED files two cases on I-PAC) দায়ের করা হয়েছে।
