Jogesh Chandra Law College
Bengal Liberty, পৌলমী গোস্বামী, কলকাতা: সরস্বতী পুজোর(Saraswati Puja controversy) আগে আবারও অশান্ত যোগেশচন্দ্র ল’ কলেজ (Jogesh Chandra Law College)। দেবী বন্দনার (Saraswati Puja controversy) প্রস্তুতির সময়ে পুজো আয়োজন ঘিরে তীব্র দ্বন্দ্বে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলেজ চত্বর। পড়ুয়াদের একাংশের অভিযোগ, পুজো নিয়ে (Saraswati Puja controversy) তাঁদের মতামত উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেই ক্ষোভ থেকেই সোমবার কলেজের অধ্যক্ষের ঘরে তালা লাগানোর মতো ঘটনা ঘটেছে(Saraswati Puja controversy)।

পড়ুয়াদের দাবি (Saraswati Puja controversy)
পড়ুয়াদের অভিযোগ, অধ্যক্ষ প্রাক্তনীদের নিয়ে সরস্বতী পুজো(Saraswati Puja controversy) আয়োজন করতে চাইছেন। কিন্তু বর্তমান ছাত্রছাত্রীরা তা মানতে নারাজ। তাঁদের স্পষ্ট দাবি, কোনওভাবেই যেন প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের পুজোয় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া না হয়। কারণ, অতীতে প্রাক্তনীদের উপস্থিতিতেই হুমকি, ভয় দেখানো এবং চাপের মুখে পড়তে হয়েছে ।

থ্রেট কালচার চালু হয়েছে কলেজে (Saraswati Puja controversy)
এক ছাত্রী সংবাদমাধ্যমে অভিযোগ করে বলেন, কলেজে মেয়েদের উদ্দেশ্য করে ভয়ংকর হুমকি দেওয়া হয়েছে(TMC student politics)। তাঁর দাবি, “আমাদের থ্রেড দেওয়া হচ্ছে বারংবার। বাইরে বাইরে দেখে নেওয়া হবে এমনকি মারধর, মুখ ফাটিয়ে দেওয়া, মাটির নিচে পুঁতে দেওয়ার মতো কথাও বলা হয়েছে তাঁদের উদ্দেশে” তাঁর প্রশ্ন, “এই পরিবেশে আমরা কীভাবে নিরাপদে পুজো করব?”(Saraswati Puja controversy)

বচসা বাঁধে দুই পক্ষের মধ্যে(Saraswati Puja controversy)
এইদিন জানা যাচ্ছে পুজো(Saraswati Puja controversy) আয়োজন নিয়ে এক বৈঠক হয়েছিল আর তারপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দুই পক্ষের তীব্র বচসা বাঁধে এবং অধ্যক্ষের ঘরে তালা লাগানো হয়। পড়ুয়াদের আরও অভিযোগ, গত কিছু বছরধরে কলেজে বহিরাগত ঢোকানো হয়েছে যেটা তাদের আপত্তিকর বিষয়। শুধু এখানেই শেষ নয় এই ঘটনায় শাসকদলের এক স্থানীয় নেতা দাউদ আমান মোল্লার নামও উঠে এসেছে, যা বিতর্ককে আরও রাজনৈতিক রং দিয়েছে(Jogesh Chandra Law College latest news)।
কলেজ অধ্যাপকের বক্তব্য(Saraswati Puja controversy)
অন্যদিকে, কলেজ কর্তৃপক্ষ সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে অধ্যক্ষ সুনন্দা গোয়েঙ্কার বলেন, আইন মেনেই পুজো(Saraswati Puja controversy) আয়োজন করা হবে কোনও বেআইনি কাজ হবে না। এছাড়াও জানা যাচ্ছে শিক্ষকদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে। তাঁর দাবি, “সরস্বতী পুজো হবে(Saraswati Puja controversy) , কোনও বাধা নেই। ছাত্রদের কিছু দাবি আছে, সেগুলি আইন অনুযায়ী বিবেচনা করা হবে।”
তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে সরস্বতী পুজো(Saraswati Puja controversy) এলেই কেন বারবার যোগেশচন্দ্র ল’ কলেজে এমন অশান্তি তৈরি হয়? গত বছরও ঠিক একইভাবে পুজো(Saraswati Puja controversy) আয়োজন ঘিরে উত্তেজনা, রাজনৈতিক চাপ এবং ছাত্রদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। বছর ঘুরলেও পরিস্থিতির কোনও বদল হয়নি বলেই অভিযোগ পড়ুয়াদের(Law college student protest)।
শিক্ষাঙ্গনে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে রাজনীতির(Saraswati Puja controversy) রং কেন মাখানো হবে বলে প্রশ্ন সকল পড়ুয়াদের। সরস্বতী পুজো(Saraswati Puja controversy) কি শুধুই পুজো, নাকি ক্ষমতার লড়াইয়ের ময়দানএই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে যোগেশচন্দ্র ল’ কলেজকে ঘিরে।
