ED summons Pratik Jain
SIR বিতর্কের মধ্যেই I-PAC তল্লাশি মামলা, আজ সুপ্রিম কোর্টে ফের মুখোমুখি শাসক দল ও ইডি (I-PAC hearing)
Bengal Liberty, ১০ ফেব্রুয়ারি :
এসআইআর (Special Intensive Revision) ইস্যুতে রাজ্য সরকার তথা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের (Election commission) সংঘাত যখন দিল্লি (Delhi) পর্যন্ত গড়িয়েছে, ঠিক সেই সময়েই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের শিরোনামে অবস্থান করছে I-PAC(I-PAC hearing) সংক্রান্ত ইডি-তল্লাশি মামলা (ED-search case)। গত মঙ্গলবার সকলের নজর ছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) দায়ের করা মামলার শুনানির দিকে। তবে শুনানির ঠিক আগের রাতেই বড় পদক্ষেপ নেয় রাজ্য সরকার, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং রাজ্য পুলিশের তরফে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) হলফনামা জমা দেওয়া হয়।
এই হলফনামার জবাব দিতে আদালতের কাছে ৭ দিনের সময় চেয়ে নেয় ইডি। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে আদালত শুনানি পিছিয়ে দেয়। অবশেষে আজ মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে I-PAC সংক্রান্ত এই মামলার শুনানি হবে। এই শুনানির দিকেই নজর বঙ্গ রাজনীতির।

মুখ্যমন্ত্রীর হলফনামা বনাম ইডির অভিযোগ
সূত্রের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে জমা দেওয়া হলফনামায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ইডি আধিকারিকদের অনুমতি নিয়েই তিনি I-PAC-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের (Pratik Jain) বাড়ি থেকে দলের কিছু নথিপত্র নিয়ে বেরিয়ে আসেন। তল্লাশির সময় কোনও রকম বাধা দেওয়া হয়নি বলেও হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।
টিকিট পাচ্ছেন না আদি তৃণমূল বিধায়করা। বিস্তারিত লিঙ্কে: https://t.co/hV2CtNqu5I#BengalLiberty #MadanMitra #TrinamoolCongress #bjpwestbengal @SuvenduWB @AITCofficial @BJP4India @SamikBJP pic.twitter.com/0VR6r8TDQv
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) February 8, 2026
অন্যদিকে ইডির অবস্থান সম্পূর্ণ ভিন্ন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনারের উপস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী নথিপত্র ‘চুরি’ করেছেন। ইডির অভিযোগ অনুযায়ী, সেই কারণেই বিষয়টির সিবিআই তদন্ত জরুরি।

ঘটনার সূত্রপাত
উল্লেখ্য, দিল্লির একটি পুরনো কয়লা পাচার মামলার তদন্তে সম্প্রতি আইপ্যাক (I-PAC hearing) সংস্থার কর্তা প্রতীক জৈনের (Pratik Jain) বাড়ি এবং সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি। সেই সময় প্রতীক জৈনের বাড়ি ও পরে সল্টলেকের অফিসে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তদন্তের নামে দলের নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে ইডির বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। ঘটনাটি প্রথমে কলকাতা হাই কোর্ট, পরে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়।
এরপর থেকেই ইডি ও রাজ্য সরকারের মধ্যে প্রকাশ্য তরজা শুরু হয়। শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক আক্রমণ-প্রতি আক্রমণের পারদ ক্রমশ চূড়ান্ত হতে শুরু করে। সেই আবহেই আজ, ১০ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে I-PAC সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে চলেছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশের দিকেই এখন তাকিয়ে রাজ্য-রাজনীতির সব মহল।

