New Planet or Parallel Universe?
৩৫৫ দিনের কক্ষপথে ঘোরা রহস্যময় গ্রহ,ভবিষ্যতে বসবাসের যোগ্য হবে? গবেষণায় উঠে এল নতুন তত্ত্ব! (New Planet or Parallel Universe?)
Bengal Liberty, কলকাতা: মহাকাশ গবেষণায় নতুন চমক! বিজ্ঞানীরা এমন এক হিমশীতল গ্রহের খোঁজ পেয়েছেন, যার বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য পৃথিবীর সঙ্গে বিস্ময়করভাবে মিলে যাচ্ছে (New Planet or Parallel Universe?)। ফলে ভবিষ্যতে সেখানে প্রাণের সম্ভাবনা আছে কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

কত দূরে এই নতুন গ্রহ? (New Planet or Parallel Universe?)
মহাকাশে প্রাণের উপযোগী পরিবেশের খোঁজ বহুদিন ধরেই চলছে। এতদিন পর্যন্ত পৃথিবীর মতো স্থিতিশীল কক্ষপথ, সঠিক দূরত্ব এবং শক্তির ভারসাম্য একসঙ্গে খুব কম গ্রহেই পাওয়া গেছে। কিন্তু নতুন আবিষ্কৃত গ্রহটি সেই ধারণায় নতুন আশা জাগাচ্ছে। পৃথিবী থেকে মাত্র ১৫০ আলোকবর্ষেরও কম দূরত্বে থাকা এই গ্রহটির নাম HD-137010 b। আকারে এটি পৃথিবীর তুলনায় সামান্য বড় প্রায় ১.২ গুণ। তবে সবচেয়ে বড় মিল পাওয়া গেছে এর কক্ষপথে। এই গ্রহটি তার নক্ষত্রকে একবার প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় প্রায় ৩৫৫ দিন, যা পৃথিবীর এক বছরের খুব কাছাকাছি।
কেমন সেই নক্ষত্র? (New Planet or Parallel Universe?)
যে নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে গ্রহটি ঘোরে, সেটি একটি বামন নক্ষত্র, যার ভর আমাদের সূর্যের প্রায় ৭০ শতাংশ। এই নক্ষত্র সূর্যের তুলনায় কম উজ্জ্বল হলেও অনেক বেশি সময় সক্রিয় থাকতে পারে। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে গ্রহটিও স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা।
Tollywood update: গ্ল্যামার ছেড়ে সম্পূর্ণ অন্য রূপে ফিরছেন শ্রাবন্তী!
ফার্স্ট লুকেই বাড়ছে উত্তেজনা… এখন শুধু অপেক্ষা মুক্তির!
রহস্যে মোড়া ঠাকুমা গিরিজাবালা সান্যাল চরিত্রে এবার নতুন চমক।@srabantismile #TOLLYWOOD #srabanti #tollynews pic.twitter.com/jH9m9qTjtO
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) February 13, 2026
গ্রহটি এমন একটি অঞ্চলে রয়েছে, যেখানে তাত্ত্বিকভাবে জল তরল অবস্থায় থাকতে পারে।
যদিও বর্তমানে সেখানে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ৬৮ থেকে ৮৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচে বলে অনুমান করা হচ্ছে। অর্থাৎ এটি মঙ্গলগ্রহের থেকেও বেশি ঠান্ডা হতে পারে।

কীভাবে খুঁজে পাওয়া গেল গ্রহটি? (New Planet or Parallel Universe?)
এই গ্রহটি আবিষ্কার করা হয়েছে ট্রানজিট পদ্ধতিতে, যেখানে দূরের নক্ষত্রের আলো সাময়িক কমে গেলে গ্রহের উপস্থিতি বোঝা যায়। এবং এই পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে NASA-র কেপলার স্পেস টেলিস্কোপের তথ্য বিশ্লেষণ করে। তবে এখন পর্যন্ত এই গ্রহের ট্রানজিট একবারই নিশ্চিতভাবে দেখা গেছে, তাই আরও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। এছাড়াও গবেষণায় আরও জানা গেছে, এই গ্রহ তার নক্ষত্র থেকে পৃথিবীর তুলনায় অনেক কম শক্তি পায় প্রায় এক-তৃতীয়াংশেরও কম। তাই এখন এটি বরফে ঢাকা অবস্থায় থাকতে পারে। তবে পৃথিবীর ইতিহাসে যেমন বরফযুগ এসেছে এবং আবার শেষও হয়েছে, তেমন পরিস্থিতি এই গ্রহেও ঘটতে পারে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখছেন বিজ্ঞানীরা।
আরো পড়ুন: India vs Namibia T20 2026 : ভারত বনাম নামিবিয়া (T20 World Cup India Vs Namibia)
বিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, এই গ্রহে হয়তো এখন আলাদা প্রাণ নেই। কিন্তু ভবিষ্যতে পরিবেশ বদলালে প্রাণের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। যদি সেই সম্ভাবনা সত্যি হয়, তবে মহাকাশ গবেষণায় এটি বড় মাইলস্টোন হয়ে উঠতে পারে।

