Weather update
Bengal Liberty, ২৩ মে :
রাজ্যের আবহাওয়ায় এখন স্পষ্ট দুই বাংলার দুই ছবি (Weather Update)। উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলা টানা ভারী বৃষ্টিতে কার্যত জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কায়, আর দক্ষিণবঙ্গ পুড়ছে অস্বস্তিকর গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ায়। সকাল থেকে রাত- ঘাম, গরম আর দমবন্ধ করা আর্দ্রতায় নাজেহাল সাধারণ মানুষ। এরই মধ্যে অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠছে, কবে দক্ষিণবঙ্গে স্বস্তির বৃষ্টি নামবে? কবে বাংলায় বর্ষার আনুষ্ঠানিক প্রবেশ? আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস বলছে, আপাতত কিছু জেলায় ঝড়-বৃষ্টি হলেও তা সাময়িক স্বস্তি দেবে, দীর্ঘমেয়াদি আরাম মিলতে এখনও অপেক্ষা করতে হবে। অন্যদিকে জোড়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে (Weather Update)।

দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া (Weather Update)
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, শনিবার দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে। এই জেলাগুলির জন্য জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। তবে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও গরম থেকে এখনই পুরোপুরি মুক্তি মিলছে না। পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ভ্যাপসা গরম ও তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। ফলে দিনের পাশাপাশি রাতেও অস্বস্তি অব্যাহত থাকবে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, দক্ষিণ উপকূলীয় ওড়িশা ও সংলগ্ন এলাকায় তৈরি হওয়া উপরের স্তরের ঘূর্ণাবর্ত বর্তমানে অভ্যন্তরীণ ওড়িশার ওপর অবস্থান করছে। এছাড়াও উত্তর-পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ থেকে ছত্রিশগড় হয়ে ওড়িশা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা। এই জোড়া আবহাওয়াগত পরিস্থিতির জেরেই দক্ষিণবঙ্গের কিছু অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া (Weather Update)
উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ উল্টো। সেখানে বৃষ্টির দাপট আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, জোড়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে শনিবার জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড় এবং ডুয়ার্স সংলগ্ন এলাকায় টানা বৃষ্টির জেরে নদীগুলির জলস্তরও বাড়তে শুরু করেছে। নিচু এলাকা ও জলমগ্ন হওয়ার প্রবণতা রয়েছে এমন জায়গাগুলিতে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

