Mothabari case
Bengal Liberty, ২৬ মে :
মালদহের মোথাবাড়ি কাণ্ডে তদন্তের গতি আরও বাড়ল (Mothabari case)। ফের গ্রেফতার আরও ১৫ জন। বিচারকদের ঘেরাও, বিডিও অফিসে তাণ্ডব এবং রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানোর ঘটনায় সোমবার গভীর রাতে কালিয়াচক ও মোথাবাড়ির বিভিন্ন এলাকায় একযোগে তল্লাশি অভিযান চালায়। আর এই অভিযানেই আরও ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশের পর তদন্তে গতি এনেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইতিমধ্যেই শীর্ষ আদালত এই মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করার জন্য এনআইএকে ২ মাস সময় বেঁধে দিয়েছে। তারই মধ্যে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার জালে আরও ১৫ (Mothabari case)। আজ প্রত্যেককে আদালতে তোলা হবে।

সুপ্রিম কোর্ট দ্রুত তদন্ত শেষের নির্দেশ দিয়েছিল এনআইএকে (Mothabari case)
মালদহের মোথাবাড়ি কাণ্ডে ইতিমধ্যেই কড়া অবস্থান নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। চলতি মাসেই শীর্ষ আদালত জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-কে নির্দেশ দেয়, দ্রুত এই মামলার তদন্ত শেষ করতে হবে। তদন্ত সম্পূর্ণ করার জন্য দু’মাস সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, এসআইআরের কাজে নিযুক্ত বিচারকদের নিরাপত্তা আপাতত বজায় থাকবে। তবে যাঁদের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে হুমকির আশঙ্কা নেই বলে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করবে, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহারের বিষয়েও উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। উল্লেখ্য, গত ১১ মে এই মামলার তদন্ত সংক্রান্ত স্টেটাস রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে জমা দেয় এনআইএ।

কী ঘটেছিল মোথাবাড়িতে? (Mothabari case)
এসআইআর সংক্রান্ত বিবেচনাধীন তালিকার নামগুলি যাচাই ও নিষ্পত্তির দায়িত্বে ছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির নিযুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা। সেই কাজ চলাকালীনই গত এপ্রিলে মালদহের মোথাবাড়িতে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অভিযোগ, এসআইআর তালিকা থেকে নাম বাদ পড়াকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ একদল বিক্ষোভকারী কালিয়াচক-২ ব্লক অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, সাত জন বিচারককে গভীর রাত পর্যন্ত অফিসের ভিতরে আটকে রাখা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। শুধু তাই নয়, তাঁদের হেনস্থার ঘটনাও সামনে আসে।

ঘটনার জল গোড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। এরপর শীর্ষ আদালতের নির্দেশে নির্বাচন কমিশন পুরো ঘটনার তদন্তভার তুলে দেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র হাতে। যদিও তার আগেই রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি অন্যতম অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে তদন্তকারীরা দাবি করেন, এই বিক্ষোভ ও ঘেরাও কর্মসূচির পিছনে অন্যতম মূল চক্রী ছিলেন মোফাক্কেরুল। এরপর থেকেই ধারাবাহিকভাবে একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এনআইএ।

