TMC MLA Dilip Mondal
Bengal Liberty, ২৭ মে :
বেশ কয়েকদিন ধরেই ট্রেন্ডে ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল (TMC MLA Dilip Mondal)। তাঁকে এবং তাঁর বিতর্কিত মন্তব্যকে ঘিরে টানা কয়েক দিনের জল্পনার অবসান ঘটল অবশেষে। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিতর্কিত ও হুমকিমূলক ভিডিয়োকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে বেশ কয়েকদিন ধরেই এই তৃণমূল বিধায়ককে হন্যে হয়ে খুঁজছিল পুলিশ। অবশেষে আজ, মঙ্গলবার পুরীর এক হোটেল থেকে তাঁকে আটক করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। অভিযোগ ওঠার পর থেকেই কার্যত গা-ঢাকা দিয়েছিলেন বিধায়ক। পৈলানের বাড়িতে পুলিশি তল্লাশির পর থেকেই তাঁর খোঁজ মিলছিল না। অবশেষে গোপন সূত্রের ভিত্তিতে ওড়িশায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে কলকাতায় আনার তোড়জোড় শুরু করেছে পুলিশ (TMC MLA Dilip Mondal)।

১৩ দিন গা-ঢাকার পর এসটিএফের জালে বিধায়ক (TMC MLA Dilip Mondal)
দীর্ঘ গা-ঢাকা পর্বের অবসান। অবশেষে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) জালে ধরা পড়লেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল। ওড়িশার পুরীর একটি হোটেল থেকে তাঁকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, ওই ভিডিওতে অন্য রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে হুমকিমূলক মন্তব্য করতে শোনা যায় দিলীপ মণ্ডলকে। অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। সেই অভিযোগের পরই সক্রিয় হয় পুলিশ প্রশাসন।

বিধায়কের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয় (TMC MLA Dilip Mondal)
তদন্তের স্বার্থে গত ১৪ মে পৈলানে বিধায়কের প্রাসাদোপম বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। কিন্তু সেখানে তাঁর খোঁজ মেলেনি। স্থানীয়দের দাবি, পুলিশের অভিযানের খবর পেয়েই বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি। তারপর থেকেই কার্যত নিখোঁজ ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক। রাজ্যের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েও প্রথমদিকে তাঁর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেনি তদন্তকারীরা। অবশেষে দিন দুয়েক আগে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হাতে পায় এসটিএফ। জানা যায়, পুরীর একটি হোটেলে আত্মগোপন করে রয়েছেন দিলীপ মণ্ডল। সেই তথ্যের ভিত্তিতে পরিকল্পনা করে অভিযানে নামে এসটিএফ এবং ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার একটি বিশেষ দল। পুরীর ওই হোটেলে পৌঁছে প্রথমে রেজিস্টার খতিয়ে দেখা হয়। সেখানে বিধায়কের নাম ও উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পরই তাঁর ঘরে হানা দেয় পুলিশ।
পুলিশ সূত্রের দাবি, কোনও রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ছাড়াই তাঁকে আটক করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে তাঁকে কলকাতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। এরপর তাঁকে আদালতে পেশ করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।


