mamata abhisekh
Bengal Liberty:
বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের নাটক চূড়ান্ত পর্যায়ে (TMC Family politics)। পিসির ভাইপোপ্রীতি প্রেম তৃণমূল কংগ্রেস দলটিকে শেষের পর্যায়ে নিয়ে যায়। কোমড়ে বেল্ট, পায়ে যন্ত্রণা নিয়েই রাজনৈতিক নাটকের এক অন্য রূপ দেখল সারা বাংলা। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভোটে হেরে যাওয়ার পর দলকে না- গুছিয়ে ভাইপোর রাজনৈতিক কেরিয়ার গড়তে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন মমতা। ভোট যুদ্ধের আবহে কয়েক মাস শারীরিক দিক থেকে অনেকটাই ভেঙে পড়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সমাজ মাধ্যমে লাইভেই প্রকাশ্যে কোমড়ে বেল্ট পড়ে জনসমক্ষে তিনি। ঠিক মতো চলতে পারছেন না। বয়স জনিত কারণেই পা কাঁপছে। যন্ত্রণা রয়েছে।
ভাইপোর চিন্তায় শুধু নিজের শরীরটাকে নয়, দলটাকেও শেষ করে দিয়েছেন মমতা। এই অভিযোগ বাংলার জনগণের না বরং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যারা লড়েছেন তাদের। পুরনো তৃণমূল কর্মীরাই বলছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের হাতেই ঘাসফুল শিবিরকে শেষ করে দিয়েছেন। কিন্তু ভাইপো প্রীতিতে অন্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেটা দেখতে পাচ্ছেন না।

ফেসবুক লাইভে দেখা গেল মমতার কোমড়ে চোট TMC Family politics
ফেসবুক লাইভে সারা বাংলার মানুষ দেখলেন, শরীরে ক্লান্তি থাকলেও ভাইপোর জন্য রাজনৈতিক ব্যস্ততা মোটেই কমাননি মমতার। বাংলার জনগণ ব্যঙ্গ করে সমাজ মাধ্যম বলছেন, দল পরে ভাইপো আগে। অনেকে লিখছেন পায়ে ব্যথা নিয়েও ভাইপোর ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তায় কাতর মমতা।
তবে সমর্থকদের যুক্তি আলাদা। তৃণমূল কংগ্রেসের অন্ধ ভক্তরা এখনও প্রমাণ করতে ব্যস্ত, যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্যান-৪০ ছাড়াও কতটা অসুস্থ রয়েছেন। যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দাবি করছেন তৃণমূলের পরাজয়ের নেপথ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্ধ ভাইপো প্রীতি ও পরিবারতন্ত্র একমাত্র দায়ী। এমনকি পরিবারের ভেতরেও ভাইপো প্রীতি নিয়ে একাধিকবার কোণঠাসা হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে যাই হোক কেউ হাসছেন আবার কারোর চোখে জল। এই নাটকের বিভিন্ন দৃষ্টি কোণের দিকে চেয়ে রয়েছেন রাজ্যের একাধিক মানুষ এবং বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের একাংশ।

