Abhishek Banerjee
Bengal Liberty, ৬ জুন :
লোকসভা ভোটে ভরাডুবি। এবার তৃণমূলের অন্দরে বড়সড় সাংগঠনিক রদবদল (Abhishek Banerjee)। এককভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ভরসা করতে পারছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদে অভিষেকের পাশে আনা হল দোলা সেন ও ডেরেক ওব্রায়েনকে। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের শীর্ষ পদেও বদল ঘটিয়ে নতুন মুখকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সুব্রত বক্সীর জায়গায় রাজ্য সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, TMCP-তে তৃণাঙ্কুরের বদলে প্রিয়ঙ্কা অধিকারী, শ্রমিক সংগঠনে ঋতব্রতের পরিবর্তে মলয় ঘটক এবং মহিলা তৃণমূলের নেতৃত্বে মালা রায়। এই ব্যাপক রদবদল ঘটিয়ে তৃণমূল স্পষ্ট করে দিল ক্ষমতার রাশ শুধু একজনের হাতে দেওয়া যাবে না। যে ভুল তৃণমূল করেছে তার মাশুল গুনলেও সোধ হবে না। তাই এবার ফিরে তাকানোর পালা ঘাসফুল শিবিরের (Abhishek Banerjee)।

পরাজয়ের বদনাম অভিষেকের ঘাড়েই (Abhishek Banerjee)
বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসে আত্মসমালোচনার ঝড়। টানা ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি, আর নিজের কেন্দ্রেই পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের ফল সামনে আসতেই দলের অন্দরে বাড়তে থাকে ক্ষোভ। একাধিক নেতা-কর্মী প্রকাশ্যে সংগঠনের কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। অনেকের অভিযোগের তির ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আই প্যাকের দিকে।
পরাজয়ের ধাক্কায় একের পর এক পদত্যাগ, বিধায়কদের ভাগ, সাংসদদের ভাঙন, সাংগঠনিক অস্থিরতা এবং নেতাদের অসন্তোষের মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একক দায়িত্বে পরিবর্তন এনে তাঁর সঙ্গে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দোলা সেন ও ডেরেক ওব্রায়েনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, আগামী দিনে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা আরও ভাগ করে দেওয়ার পথে হাঁটতে চলেছে তৃণমূল।


