Malda Zilla Parishad
Bengal Liberty, ১৫ জুন :
রাজ্যপাট হাতছাড়া হওয়ার পর থেকেই ঘাসফুল শিবিরের অন্দরে শুরু হয়েছে চরম ডামাডোল (Malda Zilla Parishad)। নিজেদের দখলে থাকা জেলা পরিষদগুলি টিকিয়ে রাখাই যেন তৃণমূলের কাছে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ঠিক এমন সময়েই সোমবার দুপুরে মালদহ জেলা পরিষদে ভাঙন। তৃণমূল পরিচালিত জেলা পরিষদের সভাধিপতি এবং সহকারী সভাধিপতির সিংহাসন টলাতে অনাস্থা প্রস্তাব আনলেন দলেরই ২০ জন বিক্ষুব্ধ সদস্য! মালদহ ডিভিশন কমিশনারের দফতরে গিয়ে রীতিমতো চিঠি জমা দিয়েছেন তাঁরা (Malda Zilla Parishad)।

ঘর সামলাতে দিশেহারা তৃণমূল (Malda Zilla Parishad)
মালদহ জেলা পরিষদের মোট ৪৩টি আসনের মধ্যে ৩৪টি আসনে জিতে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বোর্ড গঠন করেছিল তৃণমূল। বিজেপির ৪টি এবং কংগ্রেসের ৫টি আসন ছিল। কিন্তু ২০২৬-এর নির্বাচনে রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই জেলার রাজনৈতিক সমীকরণ দ্রুত বদলাতে শুরু করে। জানা গেছে, দলের সভাধিপতি লিপিকা বর্মণ ঘোষ এবং সহকারী সভাধিপতি আবু তৈয়ব রফিকুল হোসেনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই দলের অন্দরে ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হচ্ছিল। শীর্ষ নেতৃত্বের ক্ষমতা হারানোর পর সেই ক্ষোভ আরও তীব্র আকার ধারণ করে। সোমবার দুপুরে তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটে। ২০ জন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সদস্য সটান ডিভিশন কমিশনারের অফিসে পৌঁছে ওই দুই শীর্ষ পদাধিকারীর বিরুদ্ধে অনাস্থার চিঠি জমা দেন। রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন, বিজেপির দিকে পা বাড়াতেই হয়তো এই বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী তলে তলে ঘুঁটি সাজাচ্ছে। তবে, এই পালাবদলের বিষয়ে প্রশাসনের কর্তারা এখনই প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।



