Palash Chakraborty
Bengal Liberty:
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহায়ক সুমিত রায়কে ঘিরে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে (Abhishek Banerjee)। গভীর রাতে হুগলির ব্যান্ডেলের কেওটা রাধারানী কলোনি থেকে সুমিত-ঘনিষ্ঠ এক যুবককে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ সামনে আসলো। যুবকের নাম পলাশ চক্রবর্তী। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পলাশ দীর্ঘদিন তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ছাত্রজীবনে তিনি শ্রীরামপুর কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) জেনারেল সেক্রেটারি ছিলেন। পরবর্তী সময়ে যুব রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন এবং একসময় শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। স্থানীয়দের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ ছিল।

লুক-আউট নোটিসের মধ্যেই নতুন মোড়
উল্লেখ্য, তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত সুমিত রায়ের খোঁজে ইতিমধ্যেই শালবনী থানার পুলিশ অভিষেকের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে। শ্রীরামপুরে সুমিতের বাড়িতেও পুলিশ যায়, তবে তাঁকে পাওয়া যায়নি। কলকাতা হাই কোর্টেও আগাম জামিন পাননি তিনি। তদন্তের স্বার্থে তাঁর বিরুদ্ধে লুক-আউট নোটিসও জারি করা হয়েছে।
এরমধ্যে বুধবার গভীর রাতে পলাশ চক্রবর্তীকে বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পলাশের বাবা প্রদীপ চক্রবর্তীর দাবি, রাত প্রায় ১১টার পর একটি সাদা রঙের পুলিশ লেখা গাড়িতে পাঁচজন ব্যক্তি তাঁদের বাড়িতে আসেন। তাঁরা পলাশকে সঙ্গে করে নিয়ে যান। তবে তাঁরা কোন থানার পুলিশ বা অন্য কোনও তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিক, সে বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের কিছু জানানো হয়নি। পলাশের বাবা জানান, তাঁর ছেলে মূল্যবান পাথরের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অন্যদিকে প্রতিবেশীদের দাবি, পলাশ এলাকায় ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের ছেলে হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। তিনি ঠিক কী ধরনের ব্যবসা করতেন, সে বিষয়ে অনেকেরই স্পষ্ট ধারণা নেই। রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় জোর চর্চা শুরু হয়েছে।


