Mahua Moitra
Bengal Liberty: রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দলের বিদ্রোহী গোষ্ঠী নিয়ে কালীঘাট থেকে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানালেন সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এদিন তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, পুলিশের বাধা কিংবা প্রশাসনিক চাপ, কোনো কিছুই তৃণমূল কংগ্রেসের ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচিকে রুখতে পারবে না।
কর্মসূচি নিয়ে দৃঢ় অবস্থান (Mahua Moitra)
মঞ্চ করার অনুমতি না মিললে প্রয়োজনে জিপের ওপর দাঁড়িয়ে মাইক হাতেই সভা করবেন তাঁরা। মহুয়া মৈত্র স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রশাসনিক নানা বাধা সত্ত্বেও এই কর্মসূচি কোনোভাবেই বাতিল হবে না।

কর্মীদের মনোবল ও লড়াই (Mahua Moitra)
সাংসদের অভিযোগ, বর্তমানে তৃণমূলের কর্মীরা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যেভাবে ভীতি ও হেনস্তার শিকার হচ্ছেন, তা অতীতের দমন-পীড়নের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। তিনি কর্মীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, জেলকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, এটি রাজনৈতিক সংগ্রামেরই একটি অংশ। তাঁর মতে, ২০২৯ সালের নির্বাচনের পর পরিস্থিতির বদল ঘটবে এবং যারা এই দুর্দিনে লড়াই চালিয়ে যাবেন, ভবিষ্যতে তারাই দলের মুখ হবেন।

বিদ্রোহী শিবিরের সমালোচনা (Mahua Moitra)
নোভোটেলের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি না থাকা নিয়ে কটাক্ষ করে মহুয়া অরূপ রায়কে নিশানা করেন। তিনি বলেন, “টুপিটা খুলে বাস্তবটা দেখুন, যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আপনাদের নেত্রী হন, তবে ব্যাকড্রপে তাঁর ছবি নেই কেন?” তাঁর মতে, মানুষ কোনো ব্যক্তিকে নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব ও প্রতীককেই ভোট দিয়েছেন। তাই প্রতীক দখলের চেষ্টা করলেও মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখেই আস্থা রাখবে।

জনভিত্তি অটুট (Mahua Moitra)
মহুয়া মৈত্র জোর দিয়ে বলেন, ২ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের সমর্থন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই রয়েছে। কয়েক জন জনপ্রতিনিধির দলত্যাগে তৃণমূলের জনভিত্তি টলাবে না। এছাড়া জাভেদ খান ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি তাঁদের উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন যে দলের সাংগঠনিক কাজ স্বাভাবিকভাবেই চলছে।


