India China Conflict
Bengal Liberty
ফের ভারত-চীন সীমান্তে উত্তেজনার(India China Conflict) আবহ তৈরি হয়েছে। অরুণাচল প্রদেশের আপার সুবানসিরি জেলার তাকসিং সেক্টরে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA)-র বিরুদ্ধে ভারতীয় ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ ও অবকাঠামো নির্মাণের অভিযোগ সামনে এসেছে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।


স্থানীয় নাহ জনজাতির সংগঠন নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি (NWS) দাবি করেছে, তাদের ঐতিহ্যবাহী চারণভূমি ও শিকারের এলাকায় ধাপে ধাপে রাস্তা, সেতু এবং স্থায়ী ক্যাম্প নির্মাণ করছে PLA। অভিযোগের প্রেক্ষিতে অরুণাচল প্রদেশের স্বরাষ্ট্র ও আন্তঃরাজ্য সীমান্ত বিষয়ক মন্ত্রী মামা নাটুং জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে রাজ্য সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করবে।
আদিবাসী সংগঠনের অভিযোগ(India China Conflict)
নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির দাবি, গত ছয় বছরে ওয়িং, পানিয়ার, মারপান, পোত্রাং লেক-সহ কয়েকটি এলাকায় তাদের ঐতিহ্যবাহী চাষ, পশুচারণ ও শিকারের জমিতে ধীরে ধীরে চীনা বাহিনীর উপস্থিতি বেড়েছে।
সংগঠনের অভিযোগ, ওই এলাকাগুলিতে PLA রাস্তা, সেতু এবং স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করেছে। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাভাবিক যাতায়াত, পশুচারণ এবং জীবিকা নির্বাহে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

সরকারের পদক্ষেপ(India China Conflict)
অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে রাজ্য সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই কমিটির অভিযোগের সত্যতা, সংশ্লিষ্ট এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে সরকারকে রিপোর্ট দেবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী মামা নাটুং।
আরো পড়ুন:- Operation Sindoor: ‘অপারেশন সিঁদুর’ অন্যতম দৃষ্টান্ত! বার্তা দিলেন বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী
ভারতীয় সেনাবাহিনীর বক্তব্য(India China Conflict)
অন্যদিকে, ভারতীয় সেনাবাহিনী এই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে। সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাকসিং সেক্টরে PLA-র নতুন করে অনুপ্রবেশ বা স্থায়ী ক্যাম্প নির্মাণের যে দাবি করা হয়েছে, তা “ভিত্তিহীন এবং অসত্য”।ফলে একদিকে স্থানীয় আদিবাসী সংগঠনের অভিযোগ, অন্যদিকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অস্বীকার—দুই বিপরীত দাবির মধ্যে ঘটনাটি নিয়ে তদন্তের ফলাফলের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

ভারত-চীন সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে ওঠা অভিযোগ সীমান্ত নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।


