TMC
Bengal Liberty : দল দুটুকরো। এবার টান পড়েছে দলের প্রতীক, নাম এবং তহবিলেও। দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কোনও দাবিদাওয়া জানানোর প্রশ্নই ওঠে না (TMC )। “আসল তৃণমূল কংগ্রেস আমরাই”, বৃহস্পতিবার দুপুরে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চকে জানিয়ে এলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। ঋতব্রতর টিম দিল্লি পৌঁছতেই তড়িঘড়ি সাংবাদিক বৈঠক করলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় এবং মমতাপন্থী তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য সাগরিকা ঘোষ। তাঁদের বক্তব্য, “আমরাই তো ঠিক করব কে দলের প্রতিনিধি।” তাহলে কীভাবে ঋতব্রত তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সাথে দেখা করতে পারে? প্রশ্ন করেন সৌগত রায়। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেলেও ফের একবার উঠে দাঁড়ানোর মরিয়া চেষ্টায় রত কালীঘাট তৃণমূল (TMC )।

অমিত শাহ ও কমিশনকে তোপ কালীঘাট শিবিরের (TMC )
সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই সাগরিকা ঘোষ অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশনকে বকলমে চালাচ্ছে বিজেপি। পাশাপশি তাঁর দাবি, অবিন্যস্ত টিম গিয়ে কমিশনের দেখা করে এসেছে। এই সাক্ষাৎ অসাংবিধানিক এবং বেআইনি, দাবি মমতাপন্থী তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য সাগরিকার। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় অবশ্য সরাসরি তোপ দেগেছেন অমিত শাহকে। তিনি দাবি করেন, “আমরাই তো ঠিক করব কে দলের প্রতিনিধি।” ঋতব্রত তৃণমূলের সাক্ষাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা জানতে চাই এর আগে কি এরকম লোকেরা দেখা করেছে?” তাঁর আরও প্রশ্ন, “ভেঙে যাওয়া বিধায়করা সাক্ষাতের সুযোগ পেল কী করে?” তারপরই তিনি অমিত শাহকে তোপ দেগে বলেন, “নির্বাচনে কারচুপি করেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দমিয়ে রাখা যায়নি, জ্ঞানেশ কুমারের মাধ্যমে কমিশন চালান অমিত শাহ।” তারপরই বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, “রাম মন্দিরের টাকায় দল ভাঙানোর খেলা চলছে।”



