Swapan Kumilya Murder Case
Bengal Liberty: রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ বা শূন্য সহনশীলতার নীতি ঘোষণা করেছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। সেই আবহেই এবার গতি পেল সল্টলেকের বহুচর্চিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কুমিল্যা খুনের মামলা। এই মামলার অন্যতম মূল অভিযুক্ত, অপসারিত বিডিও প্রশান্ত রায় বর্মনের খোঁজে নতুন করে তৎপরতা শুরু করেছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।
বুধবার রাতে নিউটাউনে প্রশান্ত রায় বর্মনের আবাসনে তল্লাশি চালায় বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)। এই অভিযানে সিটের পাশাপাশি অংশ নেয় এসটিএফ (STF) এবং ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের একটি দল। তদন্তকারী সূত্রে খবর, ওই ফ্ল্যাট থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও সম্ভাব্য প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও থাকাকালীন প্রশান্ত রায় বর্মনের বিরুদ্ধে সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কুমিল্যাকে খুনের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার তদন্তে নেমে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করে। তদন্তে গতি আসতেই আদালতের নির্দেশে অভিযুক্ত বিডিও-র বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
অভিযোগ ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট (Swapan Kumilya Murder Case)
আদালতের পক্ষ থেকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হলেও, পরোয়ানা জারির পর থেকেই পলাতক রয়েছেন প্রশান্ত রায় বর্মন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি অধরা থাকায় তদন্তের গতিপ্রকৃতি এবং তৎকালীন প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। বিজেপির পক্ষ থেকে বারবার অভিযোগ করা হয়েছিল যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি ‘প্রভাবশালী’ হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

অবশেষে সেই থমকে থাকা মামলায় নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে প্রশাসন। তদন্তকারী সূত্রের খবর, প্রশান্ত রায় বর্মন যদি রাজ্যের বাইরেও আত্মগোপন করে থাকেন, তবে সুনির্দিষ্ট তথ্য মেবামাত্রই তাঁকে গ্রেফতার করতে ভিনরাজ্যে অভিযান চালাবে এসটিএফ। যেকোনো মূল্যে অভিযুক্তকে আইনের মুখোমুখি করাই এখন তদন্তকারীদের প্রধান লক্ষ্য।

