Arvind Kejriwal
Bengal Liberty
অযোধ্যার রামমন্দিরে প্রণামী চুরির ঘটনাকে(Arvind Kejriwal) কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তীব্র আলোড়নের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই রামমন্দির ট্রাস্টের দায়িত্বে থাকা চম্পত রায় ও অনিল শর্মাকে বরখাস্ত করে বজরং লাল পুনিয়াকে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি যখন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে, ঠিক তখনই অযোধ্যার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু করলেন আম আদমি পার্টির (আপ) প্রধান তথা দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল। এই ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার দিল্লির রোহিণীতে এক সুন্দরকাণ্ড পাঠের আয়োজন করেন তিনি। সেখানে কেজরীওয়াল এবং মণীশ সিসোদিয়াসহ আপ নেতারা দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান। পাশাপাশি, এই ঘটনার প্রতিবাদে দেশজুড়ে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ কর্মসূচিরও ঘোষণা করা হয়েছে।

সুন্দরকাণ্ড পাঠ ও মূল দাবি(Arvind Kejriwal)
রাজনৈতিক মহলের মতে, নিজের রাজনৈতিক অস্তিত্ব বজায় রাখতেই সুন্দরকাণ্ড পাঠের মতো অভিনব কর্মসূচির মাধ্যমে রাজনীতির ময়দানে সক্রিয় হতে চাইছেন কেজরীওয়াল। আপ প্রধান অভিযোগ করেন, রামমন্দিরের মতো পবিত্র স্থানে ভক্তদের দেওয়া দান চুরি করা হয়েছে। তিনি দোষীদের প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়ার মতো কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

রাজনৈতিক বিতর্ক(Arvind Kejriwal)
দিল্লির রোহিণী এলাকায় এই কর্মসূচির পর পরই বিজেপির তীব্র আক্রমণের মুখে পড়েছেন কেজরীওয়াল। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, “কেজরীওয়ালজি নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে এই ধরনের লোকদেখানো স্ট্যান্ট করছেন এবং রাজনীতির আঙিনায় ফেরার চেষ্টা করছেন। এমনিতেই তাঁর পার্টিতে কোনো নেতা নেই,

সবাই ওনার দুর্নীতির সাম্রাজ্য দেখে দল ত্যাগ করছেন। তাই খবরের শিরোনামে থাকতেই এমন হাস্যকর কর্মসূচি করছেন কেজরীওয়ালজি।” রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কতটা সংকটে পড়লে এই ধরনের কর্মসূচি পালন করতে হয়, তা এই ঘটনা থেকেই স্পষ্ট। এরই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলির এই ধরনের কর্মকাণ্ড নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও তীব্র ক্ষোভ ও চর্চা শুরু হয়েছে।

