Sonam Wangchuk
Bengal Liberty: সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের আমরণ অনশন ১৮তম দিনে পদার্পণ করায় তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে তাঁর অনশন প্রত্যাহার এবং জীবন রক্ষার আর্জি জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন এক আবেদনকারী। আবেদনে কেন্দ্র ও দিল্লি সরকারকে অবিলম্বে ওয়াংচুককে একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করার নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে (Sonam Wangchuk)।
পাশাপাশি, প্রয়োজন হলে তাঁর জীবন বাঁচানোর স্বার্থে জোরপূর্বক খাবার খাওয়ানোর (ফোর্স-ফিডিং) ব্যবস্থার নির্দেশ দেওয়ারও আবেদন করা হয়েছে।

১৮ দিন অনশনে, হাসপাতালে ভর্তি ও ‘ফোর্স-ফিডিং’-এর আর্জি (Sonam Wangchuk)
আবেদনকারীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অনশন চালিয়ে যাওয়ার কারণে সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটছে। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ইতিমধ্যে তাঁর শরীরের ওজন প্রায় ৮.৫ থেকে ৮.৯ কেজি কমে গিয়েছে। শুরু হয়েছে পেশির ক্ষয় (মাসল ওয়েস্টেজ), সেই সঙ্গে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ও রক্তচাপ বিপজ্জনক স্তরে নেমে এসেছে। চিকিৎসকদের সার্বক্ষণিক নজরদারিতে থাকা সত্ত্বেও তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে সম্পূর্ণ নারাজ।

উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগে ‘ককরোচ জনতা উন্নয়ন পার্টি’-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকও দাবি করেছিলেন, দীর্ঘ অনশনের জেরে সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থা ক্রমাগত সংকটজনক হয়ে উঠছে। ওজন হ্রাস ও পেশির ক্ষয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন— পরিস্থিতি এতটা জটিল হওয়া সত্ত্বেও সরকার কেন এখনও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসছে না।
প্রসঙ্গত, লাদাখকে সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলের আওতাভুক্ত করা, পরিবেশ রক্ষা ও স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে দিল্লির যন্তর-মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছেন সোনম ওয়াংচুক। তাঁর এই আন্দোলন দীর্ঘায়িত হতে থাকায় স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে তাঁর জরুরি চিকিৎসা ও জীবনরক্ষায় আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টে এই জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আরো পড়ুন:-
Madan Mitra: কালো চশমায় ‘দাবাং’ মদন! রাজনীতির স্ক্রিপ্ট বদলাচ্ছে, নাকি শুধু স্টাইল?

