Bengal Liberty:
তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে ২০ জন সাংসদের এনসিপিআই (NCPI)-তে মিশে গিয়ে এনডিএ শিবিরে যোগ দেওয়া বৈধ না অবৈধ—এ নিয়ে জোর চর্চার মাঝেই এলো বড় খবর। ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদকে এনসিপিআই-এর সাংসদ হিসেবে আগেই স্বীকৃতি দিয়েছে মোদী সরকার। আজ, সোমবার এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা।

বিদ্রোহী সাংসদদের ভবিষ্যৎ কী হবে? Parliament
সংসদের বর্ষাকালীন (বাদল) অধিবেশনের আগের দিন, অর্থাৎ রবিবার কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকে ওই বিদ্রোহী সাংসদদের প্রতিনিধি হিসেবে দু’জনকে কেন আমন্ত্রণ জানানো হলো—সেই প্রশ্ন তুলে প্রতিবাদ জানায় গোটা বিরোধী শিবির। এমনকি এর প্রতিবাদে তারা বৈঠক থেকে কয়েক মিনিটের জন্য প্রতীকী ওয়াকআউটও করে। বিশেষ করে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র অভিযোগ তুলে বলেন, “এখনও পর্যন্ত লোকসভার ওয়েবসাইটে ওই ২০ জনকে তৃণমূলের সাংসদ হিসেবেই দেখানো হচ্ছে এবং স্পিকারও স্পষ্ট কিছু জানাননি। তা সত্ত্বেও কেন তাঁদের সর্বদলীয় বৈঠকে ডাকা হলো?”

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সাংসদদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে স্পিকার কিছু প্রয়োজনীয় নথিপত্র চেয়েছিলেন; যার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে এনসিপিআই-এর রেজিস্ট্রেশনের প্রমাণপত্রও ছিল। রবিবার সন্ধ্যায় তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার স্পিকারের দফতরে সেই সমস্ত নথিপত্র জমা দিয়েছেন। এরপর থেকেই জল্পনা আরও জোরালো হচ্ছে যে, আজই হয়তো স্পিকারের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী হবে? Parliament
অন্যদিকে, সোমবার অধিবেশনের প্রথম দিনেই এই এনসিপিআই সাংসদদের আসন বিন্যাস নিয়ে জটিলতা আরও বেড়েছে। সূত্রের খবর, সদস্যসংখ্যা বেশি থাকায় অধিবেশনের সামনের সারিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসন এবং পেছনের সারিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঠানো হয়েছে। স্পিকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এই পৃথক আসন বরাদ্দের ব্যবস্থাই বহাল থাকবে।
আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুর প্রশংসায় ফিরহাদ!

