The Terrible Story of Ajit Doval
Bengal Liberty, সিদ্ধার্থ দে:
অজিত ডোভাল(The Terrible Story of Ajit Doval)—একটি নাম যা ভারতের শত্রুদের মনে ত্রাস সৃষ্টি করে আর দেশবাসীর মনে জাগায় অদম্য ভরসা। ভারতের পঞ্চম জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) হিসেবে তিনি আজ পরিচিত হলেও, তার পেছনের দীর্ঘ কয়েক দশকের গোয়েন্দা জীবন এবং দুর্ধর্ষ সব অপারেশন তাকে কিংবদন্তিতে পরিণত করেছে।

প্রারম্ভিক জীবন ও কর্মজীবনের শুরু (The Terrible Story of Ajit Doval)
অজিত কুমার ডোভালের জন্ম ১৯৪৫ সালের ২০ জানুয়ারি উত্তরাখণ্ডের পৌরি গাড়ওয়ালে। তার বাবা ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। আজমের মিলিটারি স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করে তিনি আগ্রা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি কেরালা ক্যাডারের আইপিএস (IPS) কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তবে পুলিশের ইউনিফর্মের চেয়েও তাকে বেশি টেনেছিল দেশের গোপন নিরাপত্তা রক্ষার কাজ।
পাকিস্তানের বুকে সাত বছর: ছদ্মবেশী গোয়েন্দা জীবন (The Terrible Story of Ajit Doval)
অজিত ডোভালের ক্যারিয়ারের সবথেকে রোমহর্ষক অধ্যায় হলো পাকিস্তানে তার সাত বছরের গোয়েন্দা জীবন। কোনো দেশের গোয়েন্দা হিসেবে শত্রু দেশে টিকে থাকা এবং তথ্য সংগ্রহ করা কতটা কঠিন, তা সাধারণ মানুষের কল্পনার বাইরে।

• মুসলিম ছদ্মবেশ: পাকিস্তানে থাকাকালীন তিনি একজন মুসলিমের ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন। উর্দু ভাষায় দক্ষতা এবং স্থানীয় রীতিনীতিতে পারদর্শী হওয়ার কারণে কেউ তাকে সন্দেহ করতে পারেনি।
• তথ্য সংগ্রহ: তিনি লাহোরের একটি মসজিদে নিয়মিত যেতেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যেতেন। কথিত আছে, একবার এক বৃদ্ধ ব্যক্তি তাকে চিনে ফেলেছিলেন যে তিনি একজন হিন্দু (তার কানের ছিদ্র দেখে), কিন্তু ডোভাল অত্যন্ত চতুরতার সাথে সেই পরিস্থিতি সামলে নিয়েছিলেন।
• অপারেশন ব্লু স্টার: পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ISI-এর কার্যক্রম এবং খলিস্তানি জঙ্গিদের সাথে তাদের যোগসাজশের বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তিনি সেই সময় ভারতে পাঠিয়েছিলেন।
কান্দাহার বিমান হাইজ্যাক (IC-814) ও ডোভালের ভূমিকা (The Terrible Story of Ajit Doval)
১৯৯৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের IC-814 বিমানটি হাইজ্যাক করে জঙ্গিরা সেটিকে আফগানিস্তানের কান্দাহারে নিয়ে যায়। ভারত সরকার যখন চরম সংকটে, তখন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাঠানো হয়েছিল অজিত ডোভালকে।

তৎকালীন গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান হিসেবে ডোভাল তালেবান এবং হাইজ্যাকারদের সাথে সরাসরি দর কষাকষি করেন। যদিও মাসুদ আজহারসহ তিন জঙ্গিকে মুক্তি দিতে হয়েছিল ১৭৬ জন যাত্রীর প্রাণ বাঁচাতে, কিন্তু ডোভাল সেখানে অত্যন্ত সাহসিকতার পরিচয় দেন। তিনি হাইজ্যাকারদের মনস্তাত্ত্বিকভাবে চাপে রাখার চেষ্টা করেছিলেন এবং ভারতের জন্য সময় আদায় করেছিলেন।
নোটবন্দি (Demonetization) ও অজিত ডোভাল (The Terrible Story of Ajit Doval)
অনেকেই মনে করেন ২০১৬ সালের নোটবন্দি বা ডিমোনিটাইজেশন শুধুমাত্র একটি অর্থনৈতিক পদক্ষেপ ছিল। কিন্তু এর পেছনে অজিত ডোভালের বড় ধরনের নিরাপত্তা পরিকল্পনা কাজ করেছিল।

• টেরর ফান্ডিং বন্ধ: জাল ভারতীয় নোটের (FICN) সাহায্যে পাকিস্তান যেভাবে ভারতে সন্ত্রাসবাদে মদত দিচ্ছিল, তা রুখতে নোটবন্দি ছিল এক মোক্ষম অস্ত্র।
• কালো টাকা উদ্ধার: ডোভাল এবং তার টিম গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রিপোর্ট দিয়েছিলেন যে, বড় নোটগুলো বাতিল করলে কাশ্মীর উপত্যকায় পাথর ছোঁড়া এবং জঙ্গি নিয়োগের অর্থ জোগান বন্ধ হয়ে যাবে। পরবর্তী সময়ে দেখা গেছে, নোটবন্দির পর কাশ্মীরে জঙ্গি অর্থায়ন সাময়িকভাবে স্থবির হয়ে পড়েছিল।
‘অপারেশন আননোন গানম্যান’ ও ৩২ জন জঙ্গির মৃত্যু (The Terrible Story of Ajit Doval)
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তান ও বিদেশের মাটিতে ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গিদের রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হতে দেখা যাচ্ছে। যদিও ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এর দায় স্বীকার করেনি, তবে আন্তর্জাতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে যে এর নেপথ্যে রয়েছে ডোভালের “অফেন্সিভ-ডিফেন্সিভ” (Offensive-Defense) পলিসি।

• লক্ষ্যভেদ: হাফিজ সাঈদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী থেকে শুরু করে লস্কর-ই-তৈবা এবং জইশ-ই-মহম্মদের উচ্চপদস্থ অন্তত ৩২ জন জঙ্গিকে গত কয়েক বছরে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীরা খতম করেছে।
• ডোভাল ডকট্রিন: ডোভালের মূল মন্ত্র হলো— “শত্রু যদি তার ঘর থেকে আক্রমণ করার পরিকল্পনা করে, তবে তাকে তার ঘরে ঢুকেই শেষ করে আসতে হবে।” এই কৌশলের কারণেই আজ বিশ্বজুড়ে ভারতের শত্রুরা কোণঠাসা।
পুলওয়ামা এবং বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক (The Terrible Story of Ajit Doval)
২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার পর ভারত সরকার যখন পাল্টা জবাব দেওয়ার পরিকল্পনা করছিল, তখন পুরো অপারেশনটি মনিটর করেছিলেন অজিত ডোভাল।

• পরিকল্পনা: ডোভাল প্রধানমন্ত্রী মোদীকে সামরিক এবং কূটনৈতিক উভয় পথেই বিকল্প দিয়েছিলেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোরে যখন ভারতীয় বায়ুসেনা বালাকোটে জইশ-ই-মহম্মদের ক্যাম্পে আঘাত হানে, তখন ডোভাল কন্ট্রোল রুম থেকে পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছিলেন।
• অভিনন্দন বর্তমানের প্রত্যাবর্তন: উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমান যখন পাকিস্তানে ধরা পড়েন, তখন তাকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রেও ডোভালের পর্দার পেছনের কূটনীতি ছিল অনন্য।
অপারেশন সিন্ধু (The Terrible Story of Ajit Doval)
অপারেশন সিন্ধু ছিল ডোভালের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের একটি অন্যতম বড় সাফল্য। মিজোরামে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের সময় তিনি মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্টের (MNF) ভেতরে অনুপ্রবেশ করেছিলেন।

• বিদ্রোহ দমন: তিনি কৌশলে লালডেঙ্গার (MNF নেতা) সাতজন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডারকে নিজের পক্ষে নিয়ে আসেন। এর ফলে বিদ্রোহীরা ভেতর থেকে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত তারা শান্তি চুক্তিতে আসতে বাধ্য হয়। ডোভালের এই অসামান্য কাজের জন্য তাকে ‘কীর্তি চক্র’ প্রদান করা হয়, যা সাধারণত সামরিক কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়।
ডোভাল ডকট্রিন: ভারতের নতুন প্রতিরক্ষা নীতি (The Terrible Story of Ajit Doval)
অজিত ডোভাল NSA হওয়ার পর ভারতের নিরাপত্তা নীতিতে এক আমূল পরিবর্তন এসেছে। একে বলা হয় ‘ডোভাল ডকট্রিন’। এর মূল কথা হলো:
১. কোনোভাবেই সন্ত্রাসবাদের সাথে আপস নয়।
২. আঘাতের বদলে দ্বিগুণ প্রত্যাঘাত।
৩. কূটনৈতিক স্তরে পাকিস্তানকে একঘরে করে রাখা।
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রতি ভালোবাসা ও আদর্শ (The Terrible Story of Ajit Doval)
অজিত ডোভাল ব্যক্তিগত জীবনে এবং কর্মক্ষেত্রে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর একনিষ্ঠ অনুরাগী। তিনি বিশ্বাস করেন যে, ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসে নেতাজির অবদানকে দীর্ঘকাল ধরে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।

• নেতাজির আপসহীন নীতি: ডোভাল বহুবার প্রকাশ্যে বলেছেন যে, নেতাজি যদি দেশভাগের সময় থাকতেন, তবে ভারতের ইতিহাস অন্যরকম হতো। নেতাজির “Give me blood, and I shall give you freedom” নীতি ডোভালকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে। তার ‘অফেন্সিভ-ডিফেন্সিভ’ ডকট্রিন মূলত নেতাজির সেই লড়াইয়ের মানসিকতারই আধুনিক প্রতিফলন।
• শৌর্য সংহতি: দিল্লির ইন্ডিয়া গেটে নেতাজির বিশাল মূর্তি স্থাপনের পেছনে অজিত ডোভালের বিশেষ আগ্রহ ও ভূমিকা ছিল। তিনি মনে করেন, ভারতের বর্তমান প্রজন্মকে অহিংসার পাশাপাশি নেতাজির বীরত্বের পাঠও নিতে হবে।
• নিরাপত্তা দর্শনে নেতাজি: ডোভাল প্রায়ই বলেন, “দেশ রক্ষা করা কেবল আলোচনার বিষয় নয়, এটি শৌর্য এবং সাহসের বিষয়।” নেতাজির আজাদ হিন্দ ফৌজের সেই লড়াকু মানসিকতা ডোভাল ভারতের বর্তমান গোয়েন্দা ও সামরিক ব্যবস্থার রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন।
২০২৫ পহেলগাম হামলা ও অপারেশন সিন্দুর: ডোভালের ‘স্মার্ট’ প্রত্যাঘাত (The Terrible Story of Ajit Doval)
২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগামে একটি বড় ধরনের জঙ্গি হামলা ভারতের নিরাপত্তা বলয়কে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেয়। এই ঘটনার পর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল প্রথাগত এয়ার স্ট্রাইক বা সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের বাইরে গিয়ে এক ভিন্নধর্মী এবং অত্যন্ত গোপনীয় ছক তৈরি করেন, যা ‘অপারেশন সিন্দুর’ নামে পরিচিতি পায়।
প্রেক্ষাপট ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ
পহেলগাম হামলার পরপরই ডোভাল দিল্লিতে হাই-লেভেল সিকিউরিটি মিটিং ডাকেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, সীমান্ত পেরিয়ে জঙ্গি অনুপ্রবেশের কৌশলে বড় পরিবর্তন এসেছে। ডোভালের নির্দেশে RAW এবং এনএসএ-র সাইবার উইং সরাসরি ডার্ক ওয়েবে নজরদারি শুরু করে। জানা যায়, এই হামলার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি হয়েছিল পাকিস্তানের একটি গোপন সেফ-হাউস থেকে।
অপারেশন সিন্দুর-এর মূল কৌশল
‘অপারেশন সিন্দুর’ ছিল মূলত একটি ‘Targeted Liquidated Operation’। ডোভাল এই অভিযানে কোনো বড় সামরিক বহর ব্যবহার না করে ‘স্মার্ট পাওয়ার’ এবং ‘লোকাল অ্যাসেট’ ব্যবহারের ওপর জোর দেন।
• সাঁড়াশি অভিযান: ডোভালের পরিকল্পনায় এই অপারেশনের লক্ষ্য ছিল পহেলগাম হামলার মূল পাণ্ডাদের পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের (PoK) গভীর ভেতরে ঢুকে খতম করা।
• হাই-টেক ড্রোন প্রযুক্তি: ডোভাল এই অপারেশনে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘কিলার ড্রোন’ ব্যবহারের অনুমোদন দেন, যা রাডার ফাঁকি দিয়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম।

অপারেশনে ডোভালের সরাসরি ভূমিকা
অজিত ডোভাল নিজে এই অভিযানের রিয়েল-টাইম ফিড মনিটর করেছিলেন। তার নির্দেশনায় ভারতীয় বিশেষ বাহিনী এবং গোয়েন্দা এজেন্টরা সমন্বিতভাবে কাজ করে।
• লক্ষ্যভেদ: অপারেশন সিন্দুর চলাকালীন পহেলগাম হামলার মূল মাস্টারমাইন্ডসহ লস্কর এবং জইশের একাধিক উচ্চপদস্থ কম্যান্ডারকে তাদের গোপন আস্তানাতেই খতম করা হয়।
• ডিপ্লোম্যাটিক কভার: ডোভাল সমান্তরালভাবে বিভিন্ন বন্ধুরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সাথে যোগাযোগ রাখেন, যাতে এই অভিযানের পর আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের অবস্থান শক্ত থাকে। তিনি প্রমাণ করেন যে, ভারত এখন কেবল আত্মরক্ষাই করে না, বরং শত্রুর ডেরায় ঢুকে আঘাত হানতেও দ্বিধাবোধ করে না।
৩২ জন জঙ্গির মৃত্যু ও মনস্তাত্ত্বিক জয়
অপারেশন সিন্দুর-এর ফলে ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকার শীর্ষ পর্যায়ের প্রায় ৩২ জন জঙ্গি ও তাদের মদতদাতাকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়। ডোভালের এই স্ট্র্যাটেজি সন্ত্রাসবাদীদের মধ্যে এমন ত্রাস সৃষ্টি করে যে, সীমান্তের ওপারে অনেক জঙ্গি ক্যাম্প খালি করে দেওয়া হয়।
কেন এটি ডোভালের সেরা সাফল্যগুলোর একটি?
অজিত ডোভাল এই অপারেশনের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে, আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে শুধু বুলেট নয়, তথ্যপ্রযুক্তি এবং নিখুঁত টাইমিংই আসল অস্ত্র। অপারেশন সিন্দুর কেবল একটি প্রতিশোধমূলক হামলা ছিল না, বরং এটি ছিল পাকিস্তানের প্রক্সি-ওয়ারের বিরুদ্ধে ভারতের পক্ষ থেকে একটি কঠোর বার্তা।
Election Commission: আপাতত সুব্রত পালকে স্বাস্থ্য দফতরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে | Bengal Liberty#eletionnews #WestBengalElection #electioncomission #BengalLiberty pic.twitter.com/HnnSioBYKz
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) March 30, 2026
ডোভাল বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, কাশ্মীরের মাটিতে এক ফোঁটা রক্ত ঝরলে তার মূল্য শত্রুকে ওপারেই দিতে হবে। ২০২৫ সালের এই অপারেশন অজিত ডোভালকে ভারতের প্রতিরক্ষা ইতিহাসে এক অনন্য উচ্চতায় বসিয়ে দিয়েছে।
অজিত ডোভাল শুধু একজন সরকারি কর্মকর্তা নন, তিনি আধুনিক ভারতের এক অতন্দ্র প্রহরী। ৭৯ বছর বয়সেও তার ক্ষুরধার মস্তিষ্ক এবং দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা। অপারেশন ব্লু স্টার থেকে শুরু করে ৩৭০ ধারা বিলোপ পর্যন্ত প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তিনি ছিলেন পর্দার আড়ালের আসল কারিগর। ভারতের ইতিহাসে তিনি চিরকাল এক অপ্রতিরোধ্য গোয়েন্দা এবং কৌশলী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে অমর হয়ে থাকবেন।
আরও পড়ুন:
ন্যায়ের চূড়ান্ত আঘাত(Mystery of Deadly Dawood Ibrahim): দাউদ ইব্রাহিমের রক্তক্ষয়ী সাম্রাজ্যের উত্থান ও করাচির অন্ধকার অধ্যায়
