Abhishek Banerjee Health Update
Bengal Liberty: এ ব্যথা সে ব্যথা নয়। শরীরে নেই কোনও আঘাতের চিহ্ন, দৃশ্যমান ক্ষত। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, শারীরিকভাবে পুরো ফিট অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee Health Update)। উল্টে হাসপাতালের পরামর্শ প্রয়োজনে গ্যাসের ওষুধ খান! চিকিৎসকদের উর্ধ্বে গিয়ে তা মানতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তার সঙ্গে তাল মিলিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কেন? ED, CBI থেকে বাঁচার জন্য জোর জবরদস্তি হাসপাতালে ভর্তি হতে চাইছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়?
Abhishek Banerjee: অভিষেকের কর্মফল | Bengal Liberty@abhishekaitc @AITCofficial #AbhishekBanerjee #MamataBanerjee #TMCWestBengal #TMCNews #BengalLiberty pic.twitter.com/1pFob0wZRq
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) May 30, 2026
সোনারপুরে ডিম ও জুতো নিক্ষেপের ঘটনার পর অসুস্থতার ভান করেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তৃণমূলের আঞ্চলিক দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে প্রথম বেসরকারি হাসপাতালের রিপোর্টে স্পষ্ট লেখা ছিল, শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই, তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ (Abhishek Banerjee Health Update)। কিন্তু, সেই রিপোর্টে সন্তুষ্ট হননি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর তিনি অভিষেককে নিয়ে যান আরেকটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকদের মতামত একই। কোনও শারীরিক ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ মেলেনি। চিকিৎসকদের পরামর্শ, বিশ্রাম নিন, প্রয়োজনে গ্যাসের ওষুধ (প্যান-৪০) খান।

তাহলে প্রশ্ন উঠছে, ব্যথাটা ঠিক কোথায়? (Abhishek Banerjee Health Update)
বিরোধীদের প্যারালালালিজম কটাক্ষ, এটি নাকি শরীরের নয়, মনের ব্যথা। ভোটে ধাক্কা খাওয়ার ব্যথা, মানুষের সমর্থন কমে যাওয়ার ব্যথা, কিংবা ক্ষমতার প্রভাব আগের মতো কাজ না-করার ব্যথা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরীক্ষায় ধরা না-পড়া এই ব্যথার ওষুধ আদৌ আছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিরল ওষুধ খুঁজতে দিল্লিতে যোগাযোগ করেছেন। তৃণমূল সুপ্রিম তাঁর প্রিয় পাত্র ববি, অরূপকে না-পেয়ে সোজা ফোন করলেন দিল্লিতে। সূত্রের খবর সোনিয়া গান্ধি, রাহুল গান্ধিকে আজকের ঘটনা বিস্তারিত জানিয়েছেন মমতা।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সুস্থ থাকায় হাসপাতাল থেকে ছাড়ার সময় অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থাও করা হয়নি। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই গাড়ি নিয়ে এসে তাঁকে বাড়ি নিয়ে যান।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, শরীরের রিপোর্ট যতই স্বাভাবিক আসুক, বাংলার রাজনীতিতে ‘মনের ব্যথা’ নিয়ে আলোচনা আপাতত থামার নয়। যা এখন শান্তিনিকেতন ও কালীঘাট চত্বরে বিরাজমান।

