TMC MLA
Bengal Liberty, ১২ জুন :
হাওড়ার সাঁকরাইলের সারেঙ্গায় তৃণমূল বিধায়ক প্রিয়া পালের গোডাউন থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধার (TMC MLA)। ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, ধুতি ও বিভিন্ন ধরনের পোশাকভর্তি তিনটি ম্যাটাডোর গাড়ি গোডাউন থেকে বের করার সময় স্থানীয় গ্রামবাসীরা গাড়িগুলি আটকে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের অভিযোগ, গরিব ও দুঃস্থ মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি ত্রাণ দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের হাতে না পৌঁছে গোডাউনে মজুত রাখা হয়েছিল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সাঁকরাইল থানার পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা (TMC MLA)।

ত্রাণ পাচারের অভিযোগ (TMC MLA)
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সরকারি ত্রাণ সামগ্রী এলাকার প্রকৃত উপভোক্তাদের মধ্যে বণ্টন না করে দীর্ঘদিন ধরে বিধায়কের গোডাউনে রাখা হয়েছিল। শুক্রবার সেই সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার সময় বিষয়টি সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। তাঁদের অভিযোগ, ত্রাণের জিনিসপত্র বাইরে পাচার করে খোলা বাজারে বিক্রির পরিকল্পনা করা হয়েছিল।বিক্ষোভকারীরা ম্যাটাডোর গাড়িগুলি আটকে রেখে প্রশাসনের কাছে জবাবদিহি দাবি করেন। পরে সরকারি আধিকারিকরা উদ্ধার ও সরিয়ে নেওয়ার সংক্রান্ত নথিপত্র দেখালে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। তবে এরপর প্রিয়া পালের হিরাপুরের একটি গ্যারেজ থেকেও ত্রিপল উদ্ধারের খবর সামনে আসায় উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়। গ্রামবাসীরা বিধায়কের বাড়ি ও অন্যান্য সম্পত্তি তল্লাশির দাবিও তোলেন।
অভিযোগ উড়িয়ে বিধায়কের পাল্টা দাবি (TMC MLA)
ঘটনার পর সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল বিধায়ক প্রিয়া পাল। তাঁর দাবি, যে ত্রাণ সামগ্রীগুলি বিভিন্ন কারণে বণ্টন করা সম্ভব হয়নি, সেগুলি প্রশাসনের কাছে ফেরত দেওয়ার জন্য তিনি আগেই জেলাশাসকের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই প্রশাসন ওই সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছিল। বিধায়কের বক্তব্য, এই পুরো ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অন্য খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ত্রাণ সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে কোনও দুর্নীতি বা অনিয়মের সম্পর্ক নেই বলেও তিনি দাবি করেন। তবে গ্রামবাসীদের অভিযোগ ও উদ্ধার হওয়া ত্রাণ সামগ্রী ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।



