UK Refugee Crisis
Bengal Liberty, ১২ জুন ২০২৬ : পৃথিবীজুড়ে শুধুই হিংসার আগুন আর যুদ্ধের জটিলতা। একদিকে যখন(UK Refugee Crisis) মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পুরোদমে চলছে, অন্যদিকে তখন শরণার্থী ইস্যুকে কেন্দ্র করে গণবিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে ব্রিটেন।
উত্তেজনা শরণার্থী ইস্যুতে(UK Refugee Crisis)
শরণার্থীদের প্রবেশের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারির দাবিতে পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ। সেই বিক্ষোভের একাংশ রূপ নিয়েছে উগ্র বর্ণবাদে। ঘটনার সূত্রপাত উত্তর আয়ারল্যান্ডের একটি ছুরি হামলাকে কেন্দ্র করে। গত সোমবার সুদান থেকে আসা এক অভিবাসীর ওপর ছুরি নিয়ে মারাত্মক হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে এক আইরিশ ব্যক্তির বিরুদ্ধে। আক্রান্ত ওই শরণার্থীর ২০২৮ সাল পর্যন্ত ব্রিটেনে থাকার আইনি অনুমতি রয়েছে। ঘটনার পরপরই অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করে। কিন্তু সেই গ্রেফতারির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয় উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজধানী বেলফাস্ট।

উত্তাল উত্তর আয়ারল্যান্ড ও ব্রিটেন(UK Refugee Crisis)
অভিযুক্তের গ্রেফতারির পর থেকেই বেলফাস্টজুড়ে দফায় দফায় বিক্ষোভ ও আন্দোলন শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। শেষ পাওয়া খবরে, বিক্ষোভকারীদের হামলায় অন্তত ১২ জন পুলিশকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। বেলফাস্টের এই উত্তাপ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে ব্রিটেনের অন্যান্য শহরগুলোতেও।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সংসদে বার্তা দিয়েছেন।
কিয়ের স্টার্মারের বার্তা: “এই ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আমি বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার এবং আইন নিজের হাতে না নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। আক্রান্তের পরিবারের প্রতি আমি সমবেদনা প্রকাশ করছি। সকলে ধৈর্য ধরে আলোচনার টেবিলে আসুন, কেউ হিংসার পথ বেছে নেবেন না।”
প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তার পরও অবশ্য পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হয়নি; বিভিন্ন জায়গায় এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী এই দেশে অশান্তির আগুন কতটা ছড়ায়, এখন সেটাই দেখার। চিন্তিত আন্তর্জাতিক মহলও।
আরো পড়ুন:- Suvendu Adhikari: বিজিবিএসে ৬৩৫ কোটির ‘মহাদুর্নীতি’! মমতাকে নিশানায় শুভেন্দু


