Janatar Darbar
Bengal Liberty, ১৩ জুন :
সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দফতরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ‘জনতার দরবার’ কর্মসূচিতে চতুর্থ দিনেও দেখা গেল সাধারণ মানুষের ব্যাপক ভিড় (Janatar Darbar)। সকাল থেকেই বিভিন্ন জেলা ও এলাকার মানুষ নিজেদের সমস্যা ও দাবি নিয়ে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে পরিচয়পত্র যাচাই এবং পূর্বনির্ধারিত টোকেন নম্বরের ভিত্তিতে একে একে আবেদনকারীদের প্রবেশের ব্যবস্থা করা হয় (Janatar Darbar)।

আয়ুষের মৃত্যুর বিচার চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ পরিবার (Janatar Darbar)
শনিবার জনতার দরবারে উপস্থিত হন বাঁশদ্রোণীর মহাঋষি বিদ্যামন্দিরের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র আয়ুষ কুমার নাথের বাবা-মা এবং কয়েকজন অভিভাবক। তাঁদের দাবি, স্কুলের চরম গাফিলতির জেরেই প্রাণ হারাতে হয়েছে আয়ুষকে। পরিবারের অভিযোগ, গত ১৩ মে স্কুলে অসুস্থ বোধ করার কথা জানিয়েছিল আয়ুষ। কিন্তু সেই সময় স্কুল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিয়ে দীর্ঘক্ষণ তাকে শ্রেণিকক্ষে বসিয়ে রাখে। পরে স্কুল ছুটির সময় সিঁড়ি দিয়ে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পায় সে। এরপর একাধিক হাসপাতালে চিকিৎসার পর ১১ দিন কোমায় থাকার শেষে ২৪ মে মৃত্যু হয় আয়ুষের।
ছাত্রের বাবা আশিস কুমার নাথের অভিযোগ, ঘটনার পর থেকে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হলেও সঠিক তদন্ত ও বিচার মিলছে না। এমনকি প্রতিবাদে নামা অভিভাবকদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপ ও মিথ্যা মামলায় জড়ানোর চেষ্টারও অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। সেই কারণেই এদিন সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে হাজির হয় আয়ুষের পরিবার।

সমকাজে সমবেতনের দাবিতে জনতার দরবারে আশা কর্মীদের প্রতিনিধি দল (Janatar Darbar)
এদিন জনতার দরবারে হাজির হন আরবান আশা কর্মীদের সুপারভাইজার বা ফার্স্ট টায়ার সুপারভাইজারদের একটি প্রতিনিধি দলও। তাঁদের মূল দাবি, সমকাজে সমবেতন এবং কর্মক্ষেত্রে মর্যাদা নিশ্চিত করা। প্রতিনিধিদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য পরিষেবার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করলেও তাঁদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধায় বৈষম্য রয়ে গেছে। সেই অসন্তোষের কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি জমা দেন তাঁরা। আশা কর্মীদের দাবি, তাঁদের কাজের গুরুত্ব বিবেচনা করে উপযুক্ত বেতন কাঠামো ও প্রশাসনিক স্বীকৃতি দেওয়া হোক।


