Mostafijur Rahaman
Bengal Liberty : বিজেপি ও সিপিএম, বাংলার রাজনীতিতে বরাবর বিরোধের দুই মেরু। সেই দুই শিবিরের মধ্যে সৌজন্যের রাজনীতি বরাবরই ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসাবেই বিবেচিত হয়েছে (Mostafijur Rahaman)। তবে এবার পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বিরল এক ছবি সামনে এল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকারের ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’ প্রকল্পের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিলেন একমাত্র সিপিএম বিধায়ক মুস্তাফিজুর রহমান রানা। ঘটনায় চক্ষু ছানাবড়া রাজনৈতিক মহলের। কারণ, নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর নৈশভোজে যোগ দেওয়ার ‘অপরাধে’ সিপিএমের যুব সাংসদ ব্রতীন সেনগুপ্তকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। প্রশ্ন উঠছে এবার কি মুস্তাফিজুর রহমান রানাও দলীয় কোপে পড়বেন? নাকি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট (Mostafijur Rahaman)?

বদলাচ্ছে কি বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণ? (Mostafijur Rahaman)
নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর নৈশভোজে যোগ দেওয়ার কারণে সিপিএমের যুব সাংসদ ব্রতীন সেনগুপ্তকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। তখন দেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও সিপিএম ছিল শক্তিশালী রাজনৈতিক অবস্থানে। সেই ঘটনার বহু বছর পর বদলে গিয়েছে বাংলার রাজনৈতিক বাস্তবতা। পাঁচ বছরের শূন্যতা কাটিয়ে এবারের বিধানসভায় একজন মাত্র বিধায়ক পেয়েছে সিপিএম। বাজেট অধিবেশনের শেষ দিন সেই বিধায়ক মুস্তাফিজুর রহমান রানাকে ‘ভদ্রলোক’ বলে প্রকাশ্যে প্রশংসাও করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
শুধু তাই নয়, কিছুদিন আগেও সিপিএম- এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের বিপরীতে গিয়ে মুস্তাফিজুর বিধানসভার অধিবেশনে পুশব্যাকের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। কারণ, সিপিএম পুশব্যাকের চরম বিরোধী। কিছুদিন আগেই বিজেপি সরকারের সমালোচনা করে পুশব্যাকের বিরোধিতা করে সিপিআইএম-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, “পুশব্যাক সবচেয়ে অমানবিক।” অথচ ওই দলেরই একমাত্র বিধায়কের কণ্ঠে পুশব্যাকের সওয়াল হতবাক সকলেই। অতঃপর মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে তাঁর ভার্চুয়াল উপস্থিতি পুনরায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।



