Asansol municipal corporation
Bengal Liberty : রাজ্যে আরও একটি পুরবোর্ডের পতন। এবার ভেঙে দেওয়া হল আসানসোল পুরনিগমের বোর্ড (Asansol municipal corporation)। বুধবার নির্দেশিকা জারি করে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর জানিয়ে দিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ পৌর কর্পোরেশন আইন, ২০০৬-এর ৬০(১) ধারায় অবিলম্বে পুরবোর্ড বাতিল করা হচ্ছে। প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আসানসোল-দুর্গাপুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটির সিইও তথা আসানসোলের প্রাক্তন পুর কমিশনার আইপিএস অদিতি চৌধুরিকে। আগামী ছয় মাস বা নতুন বোর্ড গঠন না হওয়া পর্যন্ত তিনিই পুরনিগমের সমস্ত প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাবেন (Asansol municipal corporation)।

অনিয়মের অভিযোগ এবং বোর্ড ভাঙার সিদ্ধান্ত (Asansol municipal corporation)
দীর্ঘদিন ধরেই আসানসোল পুরনিগমে প্রশাসনিক অচলাবস্থার অভিযোগ উঠছিল। পুর পরিষেবা কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে বলেও অভিযোগ ছিল। বোর্ড মিটিং না হওয়া, সম্পত্তি কর মকুব-সহ একাধিক বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে পুর দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি পুরনিগমকে শো-কজ নোটিস পাঠান। সেই নোটিসের জবাবে তৎকালীন মেয়র বিধান উপাধ্যায় ৬ পাতার চিঠি দেন। তিনি সরকারের সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দেন এবং পুর কমিশনারের অসহযোগিতাকেই অচলাবস্থার জন্য দায়ী করেন। তবে সেই জবাবে সন্তুষ্ট হয়নি পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। শেষ পর্যন্ত প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও অনিয়মের অভিযোগের জেরেই পুরবোর্ড ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বাড়ছে জল্পনা (Asansol municipal corporation)
আসানসোল পুরনিগমে মোট ১০৬টি ওয়ার্ড রয়েছে। ইতিমধ্যেই ৬ জন কাউন্সিলর এবং ২ জন বরো চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেছেন। অভিযোগ, কাউন্সিলরদের প্রাপ্য সাম্মানিক ও পেট্রলের বরাদ্দ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এর জেরেই পুরনিগমে ক্ষোভ ও টানাপড়েন আরও বাড়ে। শো-কজ নোটিস পাওয়ার পর মেয়র বিধান উপাধ্যায় কলকাতায় চলে আসেন। তবে তিনি কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরে যাননি। পরিবর্তে তিনি যোগাযোগ করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় গোষ্ঠীর সঙ্গে। দুই অনুগামীকে নিয়ে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার সঙ্গেও দেখা করেন তিনি। সেই বৈঠকের পর থেকেই আসানসোলের রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন :
CM Suvendu Adhikari : ‘সুরক্ষা কবচ’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভুয়সী প্রশংসা মুখ্যমন্ত্রীর

