Sujit Bose
Bengal Liberty: রাজ্যের পুরসভাগুলোতে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) এবার প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিল। ইডি সূত্রে খবর, এই মামলায় মোট ২০ কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ আনা হয়েছে। অয়ন শীলের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়ার পর এটি প্রথম সাপ্লিমেন্টরি চার্জশিট, যেখানে ১২,৫০০ পাতার নথি ট্রাঙ্ক ভর্তি করে আদালতে জমা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

যাঁদের বিরুদ্ধে চার্জশিট (Sujit Bose)
এদিন যে পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু, তাঁর ছেলে সমুদ্র বসু, দুই সংস্থা এবং আমলা জ্যোতিস্মান চক্রবর্তী।

ইডির অভিযোগের মূল দিকগুলো (Sujit Bose)
নিয়োগে সুপারিশ: তদন্তকারীদের দাবি, দক্ষিণ দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান থাকাকালীন ১৫০ জন প্রার্থীর নিয়োগে সুজিত বসুর সরাসরি যোগ ছিল। অয়ন শীলের বাড়িতে তল্লাশির সময় পাওয়া নথিতে ‘এসবি’ কোড নামের উল্লেখ পাওয়া গিয়েছিল, যা সুজিত বসুর নাম বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। ইডির অভিযোগ, ৩৪০ জন প্রার্থীর কাছ থেকে মাথাপিছু প্রায় ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল। ইডি ২০২৩ সালে তল্লাশি চালিয়ে একটি এক্সেল শিট উদ্ধার করে, যেখানে ৪০ জনের নামের তালিকা পাওয়া গিয়েছিল, যা সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলে্ন, গোটা রাজ্যে ২৫০ কোটির পুর নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছে বলে ইডির দাবি
কোভিড লকডাউনের সময় সুজিত বসুর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং তাঁদের একটি রেস্টুরেন্টের হিসাব খতিয়ে দেখে ১.১১ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের হদিশ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। এই লেনদেনে সুজিতের ছেলে ও মেয়ের নামও উঠে এসেছিল, যাদের ইডি জিজ্ঞাসাবাদও করেছে। নিতাই দত্তের বয়ান এবং তাঁর ডিজিটাল ডিভাইস থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুজিত বসুর বড়সড় ভূমিকা থাকার প্রমাণ মিলেছে বলে ইডি জানিয়েছে।
গত ১১ মে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর সুজিত বসুকে গ্রেফতার করে ইডি। এখন আদালতের নির্দেশে তদন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

