Narendra Modi
Bengal Liberty
ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া সফর শেষ করে(Narendra Modi) এবার নিউজিল্যান্ডে পৌঁছালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১০-১১ জুলাইয়ের এই ত্রিমুখী বিদেশ সফরের শেষ গন্তব্য নিউজিল্যান্ড। আর এই সফরের মধ্য দিয়েই এক নয়া মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি। বিগত ৪০ বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে পা রাখলেন মোদি। এর আগে ১৯৮৬ সালে শেষবার কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নিউজিল্যান্ড সফর করেছিলেন। ফলে দীর্ঘ চার দশক পর হওয়া এই দ্বিপাক্ষিক সফরটি স্বাভাবিকভাবেই ঐতিহাসিক মাত্রা পেয়েছে। সফরে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক এই সফরের মূল আলোচ্য বিষয়গুলো

সফরের গুরুত্বপূর্ণ দিকসমূহ(Narendra Modi)
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA)(Narendra Modi)
ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এই সফর বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে। এই চুক্তির ফলে নিউজিল্যান্ডের বাজারে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের প্রবেশাধিকার যেমন বৃদ্ধি পাবে, তেমনই নিউজিল্যান্ডের রপ্তানিকৃত পণ্যের একটি বড় অংশ (প্রায় ৫৭ শতাংশ) ভারতের বাজারে প্রথম দিন থেকেই শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে।

কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক(Narendra Modi)
ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া সফরের পর মোদির এই নিউজিল্যান্ড সফর ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে (Indo-Pacific Region) একটি মুক্ত, অবাধ এবং সুরক্ষিত সামুদ্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়াতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে সংযোগ(Narendra Modi)
নিউজিল্যান্ডে বর্তমানে প্রায় ৩ লক্ষ ভারতীয় বসবাস করেন। অকল্যান্ডের স্পার্ক এরিনায় (Spark Arena) আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধানমন্ত্রী মোদির উপস্থিতি সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে দেশের সংযোগ ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।

অভিবাসন ও সামাজিক নিরাপত্তা(Narendra Modi)
সাম্প্রতিক সময়ে নিউজিল্যান্ডের কঠোর অভিবাসন নীতি এবং ভারতীয় প্রবাসীদের প্রতি কিছু নেতিবাচক মনোভাবের প্রেক্ষাপটে, এই সফরটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা ভারতীয়দের স্বার্থ সুরক্ষায় বিশেষ কাজ দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দুই দেশের এই শীর্ষ বৈঠকের পর আর কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ দিক উঠে আসে, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের। তবে এই সফরের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের গ্রহণযোগ্যতা ও কূটনৈতিক অবস্থান যে আরও শক্তিশালী হচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য।

