Naihati State General Hospital
Bengal Liberty : নৈহাটি রাজ্য হাসপাতালের ‘স্মার্ট ওপিডি’ প্রকল্পকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে (Naihati State General Hospital)। প্রায় ২ কোটি টাকার টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে-র বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দাবি করেছেন নৈহাটির বর্তমান বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং পূর্ববর্তী সরকারের আমলের কাজ নিয়ে তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে (Naihati State General Hospital)।

ইতিমধ্যেই বরাদ্দ ১ কোটি ৬৩ লক্ষ (Naihati State General Hospital)
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নৈহাটি রাজ্য হাসপাতালের উন্নয়নকে অন্যতম প্রধান নির্বাচনী ইস্যু করেছিলেন সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর সেই প্রতিশ্রুতি পূরণে তৎপর হয়েছেন তিনি। বিধায়ক জানান, স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য ইতিমধ্যেই ১ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করানো হয়েছে এবং সেই অর্থ দিয়ে হাসপাতালের মেরামতি ও সংস্কারের কাজও শুরু হয়ে গেছে।

তদন্তের মুখে পূর্ববর্তী আমলের প্রকল্প (Naihati State General Hospital)
এই উন্নয়নমূলক কাজের মাঝেই পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের আমলে উদ্বোধন হওয়া হাসপাতালের ‘স্মার্ট ওপিডি’ প্রকল্প নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ-সাংসদ তহবিলের প্রায় ২ কোটি টাকার এই প্রকল্পের ঠিকাদারি নিয়েছিলেন নৈহাটির প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে। বরাদ্দ অর্থের তুলনায় বাস্তবে কতটুকু কাজ হয়েছে এবং সরকারি অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় হয়েছে কি না, তা নিয়ে গুরুতর সন্দেহ রয়েছে। নৈহাটির বিজেপি বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় বলেন, “গোটা বিষয়টি জেলাশাসকের (DM) মাধ্যমে তদন্ত করিয়ে দেখা হবে। তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় যে বরাদ্দ অর্থ অনুযায়ী কাজ না করেই বিল তুলে নেওয়া হয়েছে, তবে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি সংস্থার বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করা হবে।”

সাংসদ ও প্রশাসনের ভূমিকা (Naihati State General Hospital)
সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় আরও দাবি করেন, জেলাশাসকের উপস্থিতিতেই ব্যারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক তাঁর সাংসদ তহবিলের অর্থে হওয়া যাবতীয় নির্মাণকাজ খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন। বিধায়কের কথা অনুযায়ী, এই তদন্তের বিষয়ে সাংসদ নিজেও পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এই গুরুতর অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে-র কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা অবশ্য প্রশাসনিক তদন্তের পরেই স্পষ্ট হবে।

আরও পড়ুন :
Abhisekh Banerjee: কণ্ঠস্বরের নমুনা না দিলে রক্ষাকবচ প্রত্যাহার! অভিষেককে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

