Jayden Adams
Bengal Liberty
২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার(Jayden Adams) হয়ে দুর্দান্ত খেলা মিডফিল্ডার জেডেন অ্যাডামস মাত্র ২৫ বছর বয়সে রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন। বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরই কেপটাউনে তাঁর এই অপ্রত্যাশিত মৃত্যু হয়। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ এখনও জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। পুরো বিষয়টি বর্তমানে পুলিশ তদন্ত করে দেখছে।

জেডেন অ্যাডামসের অকালপ্রয়াণ(Jayden Adams)
অ্যাডামস তাঁর ফুটবল ক্যারিয়ারে স্টেলেনবোশ এফসি-র হয়ে আলো ছড়ান এবং পরবর্তীতে মামেলোদি সানডাউনস ক্লাবে যোগ দেন। ২০২৬ বিশ্বকাপে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় দলের জার্সিতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলেছিলেন। এই তরুণ খেলোয়াড়ের অকালমৃত্যুতে দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবল প্লেয়ার্স ইউনিয়ন (SAFPU)-সহ সমগ্র ক্রীড়াজগতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
চলতি ফিফা বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন তিনি।

মেক্সিকোর বিরুদ্ধে হারের পর রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে জয় এবং চেকিয়ার (চেক প্রজাতন্ত্র) বিরুদ্ধে ড্র করে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে প্রবেশ করেছিল ‘বাফানা বাফানা’রা। দুই ম্যাচেই কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন জেডেন অ্যাডামস। তবে ক্রীড়াজগতে এমন মর্মান্তিক বা রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগেও বড় বড় টুর্নামেন্ট চলাকালীন বা তারপরে এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে, যা আজও ক্রীড়াবিশ্বকে নাড়িয়ে দেয়
আন্দ্রেস এসকোবার (১৯৯৪)(Jayden Adams)
১৯৯৪ বিশ্বকাপে কলম্বিয়ার হয়ে খেলা এই ডিফেন্ডার টুর্নামেন্টে নিজেদের জালে একটি আত্মঘাতী গোল করে বসেন। দেশে ফেরার পর কলম্বিয়ার মেডেলিন শহরে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ধারণা করা হয়, ওই আত্মঘাতী গোলের জের ধরেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল।

মার্ক-ভিভিয়েন ফো (২০০৩)(Jayden Adams)
ক্যামেরুনের এই মিডফিল্ডার ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলেছিলেন। ২০০৩ সালের ফিফা কনফেডারেশনস কাপের ম্যাচ চলাকালীন তিনি হঠাৎ মাঠেই লুটিয়ে পড়েন এবং হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান।
বব উলমার (২০০৭)(Jayden Adams)
২০০৭ সালের ১৮ মার্চ ওয়েস্ট ইন্ডিজে ক্রিকেট বিশ্বকাপ চলাকালীন জ্যামাইকার কিংস্টনে পাকিস্তানের তৎকালীন কোচ ও সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার বব উলমার রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। আয়ারল্যান্ডের কাছে পাকিস্তানের অপ্রত্যাশিত পরাজয়ের ঠিক পরদিন জ্যামাইকা পেগাসাস হোটেলের বাথরুম থেকে তাঁর অচেতন দেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে আজও নানা বিতর্ক ও ধোঁয়াশা রয়েছে।

