Derek O'Brien
Bengal Liberty: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েনের সাম্প্রতিক মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে জবাব জমা দেওয়ার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে কমিশনকে নিশানা করলেও, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এটি আদতে তৃণমূলের নিজেদের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা ও রাজনৈতিক চাপ আড়াল করার একটি কৌশল মাত্র।

মূল অভিযোগ (Derek O’Brien)
ডেরেক ও’ব্রায়েন অভিযোগ করেছেন যে, তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনের দেওয়া প্রশ্নের উত্তর তিন দিনের সময়সীমার মধ্যে জমা দিয়েছে। অথচ অন্য একটি দলকে (যাদের তিনি ‘বিশ্বাসঘাতক দল’ বলে অভিহিত করেছেন) কমিশন ২৩ দিনের সময়সীমা দেওয়া সত্ত্বেও তারা এখনও জবাব জমা দিতে পারেনি। এই সূত্র ধরে তিনি কমিশনকে ‘বিজেপির শাখা অফিস’ বলে আক্রমণ করেন।

রাজনৈতিক দিক (Derek O’Brien)
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক নিয়মের ঊর্ধ্বে গিয়ে কাজ করে না। কোনো বিশেষ পরিস্থিতি বা তথ্যের প্রয়োজনে কমিশন অতিরিক্ত সময় দিতেই পারে, যা সম্পূর্ণ তাদের নিজস্ব প্রশাসনিক এখতিয়ার। অথচ তৃণমূল কংগ্রেস এই বিষয়টিকে ইস্যু করে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে অহেতুক সংশয় তৈরি করছে।
বিশ্লেষকদের অভিমত, বিরোধী দল হিসেবে নিজেদের রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখতে এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিষয়ে দলীয় ব্যর্থতা ও চাপের হাত থেকে নজর ঘোরাতেই তৃণমূল নেতৃত্ব এখন সাংবিধানিক সংস্থাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে। কমিশনের মতো সংস্থাকে অকারণে রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে আনা তৃণমূলের দীর্ঘদিনের কৌশল, যার মাধ্যমে তারা নিজেদের বিতর্কিত অবস্থান আড়াল করতে চাইছে।

