Bengal Liberty: ২০৩০ সালের মধ্যে ইলেকট্রিক ভেহিকেল (Electric Vehicle) বাজারের মোট মূল্য ২০ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছবে এবং এর ফলে পাঁচ কোটি নতুন কর্মসংস্থান দাবি কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও সড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়করির (Nitin Gadkadi)।
বিজেপি সাংসদ পি সি মোদির ইলেকট্রিক ভেহিকেল সেক্টরের বৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি প্রশ্নের জবাবে গড়করি লোকসভায় জানান . ”যে ভারতে ৫৭ লক্ষ ইভি নিবন্ধিত (EV egistration 2025) হয়েছে এবং ২০২৪-২৫ সালে বিক্রির হার আরও দ্রুত ছিল।

,বর্তমানে, ভারতে ৫৭ লক্ষ ইভি রেজিস্ট্রেসন রয়েছে Electric Vehicle Registration)। ২০২৪-২৫ সালে ইভি বিক্রির হার দ্রুত ছিল। ইভি গাড়ি বিক্রি ২০.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে একই সময়ে পেট্রোল ও ডিজেলের বিক্রি বেড়েছে ৪.২ শতাংশ। দু’চাকার ইভি ৩৩ শতাংশ বেড়েছে, এবং পেট্রোল ও ডিজেলের বিক্রি ১৪ শতাংশ বেড়েছে। তিন চাকার ইভি ১৮ শতাংশ বেড়েছে, যেখানে পেট্রোল ও ডিজেলের বিক্রি বেড়েছে ৬ শতাংশ।”
গড়করি আরও যোগ করেন, “২০৩০ সালের মধ্যে বার্ষিক ১ কোটি গাড়ি বিক্রির মাধ্যমে ভারতের ইভি বাজারের ২০ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে, যা পাঁচ কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। ইলেকট্রিক দু’চাকার (Two Wheelers) বাজারে ৪০০ টিরও বেশি স্টার্ট-আপ (Indian Start up) শুরু হয়েছে, যা ২০২৪ সাল থেকে ২১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।”
২০৩০ সালের মধ্যে ইলেকট্রিক ভেহিকেল (EV) বাজারের মোট মূল্য ২০ লক্ষ কোটির ৫ কোটি নতুন কর্মসংস্থান দাবি কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও সড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ীর (Nitin Gadkadi)
মন্ত্রী আরও জানান যে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির (lithium-ion battery) দাম প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টায় ১৫০ ডলার থেকে কমে ৫৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা একটি ভালো ইঙ্গিত।

তিনি বলেন, “আমাদের দেশের জন্য সুসংবাদ হল যে জম্মু ও কাশ্মীরে ৬ মিলিয়ন টন লিথিয়াম রিজার্ভ (lithium reserve) রয়েছে, যা বিশ্বের মোট মজুতের ছয় শতাংশ। খনি মন্ত্রক এই বিষয়ে কাজ করছে। আমরা লিথিয়াম আয়ন, সোডিয়াম আয়ন, অ্যালুমিনিয়াম আয়ন এবং জিঙ্ক আয়ন নিয়েও গবেষণা চালাচ্ছি।”
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে হাইড্রোজেন হলো ভবিষ্যতের জ্বালানি। তিনি আত্মবিশ্বাসী যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) নেতৃত্বে ‘আত্মনির্ভর ভারত’ (Aatmanirbhar Bharat)-এর অধীনে ভারত এখন শক্তির আমদানিকারক হলেও ভবিষ্যতে রপ্তানিকারক হবে।
তিনি বলেন, “সরকারের অগ্রাধিকার হলো বায়োফুয়েল এবং বিকল্প জ্বালানি, কারণ আমাদের জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানির খরচ ২২ লক্ষ কোটি টাকা। এটি প্রচুর দূষণও সৃষ্টি করে।”
