Bengal Liberty : ২০২৭ সালের গঙ্গাসাগর মেলাকে বিশ্বমানের করে তুলতে আগাম প্রস্তুতিতে জোর দিচ্ছে রাজ্য প্রশাসন। নতুন সরকারের আমলে প্রথমবার এই মেলার আয়োজন ঘিরে পরিকাঠামো উন্নয়ন থেকে শুরু করে পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা, পরিবহণ ও চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেই প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পৌঁছেই কাকদ্বীপে প্রশাসনিক বৈঠক করেন তিনি। পাশাপাশি সরকারি জনসভা থেকেও একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি উপভোক্তাদের হাতে তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। একইসঙ্গে সুন্দরবনের সার্বিক উন্নয়ন নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।
গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই প্রথম হেলিকপ্টারে চড়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনা গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ১২টা নাগাদ কাকদ্বীপে পৌঁছন। এরপর কাকদ্বীপের রবীন্দ্রভবনে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে বসেন। গঙ্গাসাগর মেলা পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে, এমন দক্ষ আধিকারিকদেরও বৈঠকে ডাকা হয়েছে। তাঁদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে মেলার ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রশাসনের।
বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কপিলমুনি মন্দির সংলগ্ন এলাকায় উপকূলীয় ভাঙন রোধ, লট-৮ থেকে কচুবেড়িয়া পর্যন্ত ভেসেল পরিষেবা, জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। গঙ্গাসাগরে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়। তাই ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার উপরেও জোর দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। কলকাতার সাম্প্রতিক উৎসবগুলিতে ভিড় ঘিরে ঘটে যাওয়া অনভিপ্রেত ঘটনাগুলিও প্রশাসনের সতর্কতা বাড়ানোর অন্যতম কারণ।
আরও খবর
প্রসঙ্গত, গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতির পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি, নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং চলমান সরকারি প্রকল্পগুলির অগ্রগতি খতিয়ে দেখা হতে পারে। নতুন সুন্দরবন জেলা গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পরিকাঠামোর বিষয়টিও গুরুত্ব পেতে পারে এই সফরে।


