Bengal Liberty : বিজেপির বিরুদ্ধে টাকা ও ভয় দেখিয়ে মানুষকে প্রভাবিত করার অভিযোগ করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর দাবি, জেলাশাসক, বিডিও, থানার ওসি এবং পুলিশ সুপারদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। একদিকে বিজেপিকে আইনি নথি ও হলফনামা দিয়ে সাহায্য করা হচ্ছে, অন্যদিকে তৃণমূলের জন্য সব পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। দলীয় কর্মী, বিধায়ক ও সাংসদদেরও তৃণমূলে যোগ দিলে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন মমতা।
বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ মমতার
একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর বক্তব্য, টাকা ও ভয় দেখিয়ে রাজনৈতিকভাবে মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। শনিবার থেকে পুলিশের অত্যাচারও বেড়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। মমতার দাবি, নির্বাচন কমিশন তাঁদের সমস্ত নথি জমা দিতে বলেছে। কিন্তু প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকদের ব্যবহার করে মানুষকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। জেলাশাসক, বিডিও, থানার ওসি এবং পুলিশ সুপারদের মাধ্যমে এই কাজ চলছে বলে অভিযোগ তাঁর।
তৃণমূল নেত্রীর আরও অভিযোগ, সরকার বিজেপিকে আইনি নথি, স্ট্যাম্প পেপার এবং নোটারাইজড হলফনামা দিয়ে সাহায্য করছে। অথচ তৃণমূলের ক্ষেত্রে সমস্ত পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এমনকী, যাঁরা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর অফিসে আসছেন, তাঁদেরও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে দেশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা। তাঁর প্রশ্ন, ‘আমরা কি স্বাধীন? এই দেশে কি আর আমাদের স্বাধীনতা বলে কিছু অবশিষ্ট আছে?”
আরও খবর
পাশাপাশি, তৃণমূলের কর্মী, বিধায়ক ও সাংসদদের দলবদলের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের রাজনৈতিক আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিজেপিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানান তিনি। মমতার বক্তব্য, বিজেপির যদি রাজনৈতিক লড়াই করার সাহস থাকে, তাহলে তারা সরাসরি রাজনৈতিক ময়দানে লড়াই করুক। তাতে তৃণমূলের কোনও আপত্তি নেই। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার বদলে অর্থ ও ভয় দেখিয়ে চাপ তৈরির পথ বেছে নিচ্ছে বিজেপি।


