Bengal Liberty : চোরবাগান সর্বজনীনের পুজো মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করতে সোমবার মহাকরণে বৈঠকে বসল রাজ্য সরকারের গঠিত ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত এই সিটের বৈঠকে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। মণ্ডপে আচমকা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়া, গুজবের সম্ভাবনা এবং অতিরিক্ত ভিড়—সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।
তদন্তে উঠে আসা প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মণ্ডপের প্রবেশপথগুলি ছিল অত্যন্ত সংকীর্ণ। সূত্রের খবর, ভিআইপি প্রবেশপথের প্রস্থ ছিল প্রায় সাড়ে তিন ফুট এবং সাধারণ প্রবেশপথের প্রস্থ সাড়ে চার ফুটের সামান্য বেশি। ফরেনসিক দলের প্রাথমিক অনুমান, ওই পরিসরে সর্বোচ্চ ১,৮০০ থেকে ২,৫০০ জনের মতো মানুষ থাকতে পারতেন। তবে দুর্ঘটনার সময় মণ্ডপে ঠিক কত জনের ভিড় ছিল, তা জানতে পুলিশের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য চেয়েছে ফরেনসিক দল।
এ ছাড়াও মণ্ডপ থেকে বেরোনোর পথের ঢাল এবং হুড়োহুড়ির সময় দর্শনার্থীদের ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পিছনে কোনও গুজব কিংবা মাইকে ঘোষণা থেকে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল কি না, সেই দিকটিও তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে। ইতিমধ্যেই একাধিকবার ঘটনাস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেছেন ফরেনসিক আধিকারিকেরা।
আরও খবর
চোরবাগান কাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ জন। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে রিপোর্ট বিধানসভায় পেশ করার কথা আগেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই প্রেক্ষিতে সোমবারের বৈঠককে তদন্তের পরবর্তী পর্যায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।


