Bengal Liberty : মমতা তৃণমূল নাকি ঋতব্রত তৃণমূল, কে আসল তৃণমূল কংগ্রেস? জোড়াফুল প্রতীকের মালিকানা নিয়ে লড়াইয়ে এবার নয়া মোড়! যদিও এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। তবে তার আগেই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনে গণতান্ত্রিক তৃণমূলের (ঋত শিবির) নথি জমা দেওয়ার আগে সেই নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করা হয়েছে। মারাত্মক এই দাবি করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এনিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি কালীঘাট শিবিরের। আজ, ২৬ অক্টোবর কমিশনে তথ্য জমা দেওয়ার শেষ দিন। মমতা ও ঋতব্রত তৃণমূল দিল্লিতে নথি পাঠিয়েছে। মাঝপথে নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুললেন ঋতব্রত।
এক্স হ্যান্ডল পোস্টে ঋতব্রত জানান, কালীঘাট শিবির ২৫ অক্টোবর রাতে চার্টার্ড ফ্লাইটে নিজেদের নথি পাঠিয়েছে দিল্লিতে। অন্যদিকে, গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা ২৪ তারিখ, শনিবার নিজেদের নথিপত্র নিয়ে দিল্লিতে রওনা দিয়েছেন সড়কপথে। সোমবার সকালে তাঁদের ট্রাক আটকে সেসব নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টা হয় বলে গুরুতর অভিযোগ ঋতব্রতর। এও জানান, যদিও কালীঘাট শিবিরের ওই ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছেন তাঁর সাহসী কর্মীরা। এরপরই বিরোধী দলনেতার কটাক্ষ, ‘চার্টার্ড সংস্কৃতি ও তৃণমূল স্তরের মধ্যে একটা ছোটখাটো যুদ্ধ হয়ে গেল। তিনি বলেন যে, এভাবে তাদের দমানো যাবে না। কটাক্ষ ঋতব্রতর।
নিজের এই পোস্টে নির্বাচন কমিশন, দিল্লি পুলিশ এবং হরিয়ানা পুলিশকেও ট্যাগ করেছেন ঋতব্রত। তাঁর দাবি, সাধারণ কর্মীদের উপর ভরসা করে সড়কপথে পাঠানো এই নথিপত্র যাতে কমিশনে পৌঁছতে না-পারে, তার জন্যই ভোররাতে এই হামলার ছক কষা হয়েছিল। প্রতীক ও দলের অধিকার কার হাতে থাকবে, সেই আইনি লড়াইয়ের মাঝেই এই ঘটনা এবার নতুন মাত্রা যোগ করল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।


