Subhendu Adhikari’s letter to the Railway Minister
Bengal Liberty: পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর (মাঠ–চাঁদিপুর বাজার) পাঁশকুড়া–দিঘা রেলপথে একটি হল্ট স্টেশন অনুমোদনের দাবি জানিয়ে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের কাছে চিঠি দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের জনদাবি উপেক্ষিত থাকায় এলাকার অর্থনীতি, যাতায়াত ও সামাজিক উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে।
চিঠিতে শুভেন্দু অধিকারী উল্লেখ করেন, নন্দীগ্রাম বিধানসভার বিধায়ক এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে তিনি চণ্ডীপুরে হল্ট স্টেশনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন। তাঁর দাবি, ‘অমৃত ভারত’-সহ অন্তর্ভুক্তিমূলক রেল পরিকাঠামো উন্নয়নের কেন্দ্রীয় ভাবনার সঙ্গে এই প্রস্তাব সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
চণ্ডীপুর স্থানীয়ভাবে রামকৃষ্ণগঞ্জ বাজার নামে পরিচিত। ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীতে রূপনারায়ণ নদীকে ঘিরে গড়ে ওঠে এই প্রাচীন বাণিজ্যকেন্দ্র। আজও সাপ্তাহিক হাটে নন্দীগ্রাম, নন্দকুমার, মহিষাদল এবং সুতাহাটা ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে ব্যবসায়ী, কৃষক ও ক্রেতাদের ভিড় হয়। কিন্তু, নিকটবর্তী তমলুক বা কাঁথি স্টেশনে পৌঁছতে বহু কিলোমিটার যাতায়াত করতে হওয়ায় লক্ষাধিক মানুষকে। ফলে, ভোগান্তি চরমে উঠছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন বিরোধী দলনেতা (Subhendu Adhikari’s letter to the Railway Minister)।

শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, (Subhendu Adhikari’s letter to the Railway Minister)
হল্ট স্টেশন চালু হলে যাত্রাসময় প্রায় ৪০ শতাংশ কমবে। দিঘা–মন্দারমণির মতো উপকূলীয় পর্যটন কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ আরও মসৃণ হবে। এছাড়াও, নির্মীয়মাণ দিঘা–জালেশ্বর রেলপথ সম্পূর্ণ হলে চাঁদিপুর দক্ষিণ ভারতের দিকে একটি বিকল্প প্রবেশদ্বার হয়ে উঠতে পারে। যার সুফল পাবেন চিকিৎসা ও শিক্ষার প্রয়োজনে ভিনরাজ্যে যাতায়াতকারী মানুষজন। ছাত্রছাত্রীদের তমলুক, হলদিয়া এবং কলকাতায় যাতায়াতও সহজ হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে (Subhendu Adhikari’s letter to the Railway Minister)।

