Abhishek Banerjee
Bengal Liberty: স্টেজে দাঁড়িয়ে ‘হুলিগানিজম’ (Hooliganism) ব্যান্ডের গান গেয়েছিলেন তিনি। তৃণমূল সরকারের (TMC) নীতি ও রাজনীতির কাঠগড়ায় আঙুল তুলেছিলেন সুরে-ছন্দে। দর্শক প্রশংসা করলেও রাজনৈতিক মহলে কাঁপন ধরেছিল। আর এখন? ব্যঙ্গের শিকার করা সেই অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য (Anirban Bhattacharya) নিজেই নোটিস পেলেন শুনানির এ যেন ফিরতি ব্যঙ্গ, ভাগ্যের নির্মম খেল!
নথি থাকা সত্ত্বেও কেন ডাকা হল অভিনেতাকে? (Anirban Bhattacharya)
রাজ্যজুড়ে SIR প্রকল্পের তালিকা নিয়ে অভিযোগ বাড়ছে, তালিকা সংশোধনে নাকি চলছে অদক্ষতা ও গাফিলতি অনেকের নাম নেই। ঠিক সেই তালিকার মধ্যেই দেখা গেল অনির্বাণের নাম। ২০০২ সালের ভোটার রেকর্ড (Voter List)দেখাতে না পারায় হাজিরা চান কর্তৃপক্ষ। তবে প্রশ্ন এখানেই অনির্বাণের (Anirban Bhattacharya) মতো পরিচিত নাগরিকও যখন তালিকার ভুলে জড়িয়ে পড়েন, তাহলে সাধারণ মানুষের কতজন ন্যায্যতা পাচ্ছেন?তালিকা সংশোধনে কি সরকারের অব্যবস্থা? নাকি সমালোচনার পরেই নিশানায় পড়লেন অভিনেতা?
এই বছরের মাঝেই বাবাকে হারিয়েছেন অনির্বাণ। দাদু-দিদা প্রয়াত। ফলে পুরোনো তালিকায় তাদের নাম নেই। অথচ ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। কিন্তু তারপরেও শুনানির ডাক কেন পেলেন অভিনেতা? রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশে এই ঘটনাকে অনেকেই বলছেন “ব্যঙ্গের জবাব কী তাহলে প্রশাসনের পথে?”।
অভিনেতার পরিবারের দাবি সমস্ত নথি বৈধ। সমস্যা হলে শুনানিতে প্রমাণ দেবে অনির্বাণ। কিন্তু সন্দেহের প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে যারা সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেন, ব্যঙ্গ করেন, গান বানান তাদের নাম কেন বারবার প্রশাসনিক জটিলতায় পড়ে? এ কি নিছক কাকতালীয় ঘটনা নাকি রাজনৈতিক অস্বস্তির প্রতিফলন?
অভিনেতা নিজেই বলেছিলেন, গান লিখে রাজনীতিকে চ্যালেঞ্জ করেছেন তিনি। তাহলে কি আজ সেই চ্যালেঞ্জের রেশ কি নোটিস হয়ে ফিরে এল?
উত্তর সময় দেবে, তবে প্রশ্ন রয়েই যায় গান গাওয়া কি অপরাধ? নাকি তৃণমূল সরকারের (TMC)চোখে সমালোচনা করলে সেটা অপরাধ?

