subhendu adhikari
Bengal Liberty: শনিবার রাত। পুরুলিয়া থেকে জনসভা সেরে ফেরার পথে হঠাৎই উত্তপ্ত হয়ে উঠল পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা রোড এলাকা। রাজপথে ভিড়, স্লোগান আর ধাক্কাধাক্কির মধ্যেই অশান্তির কেন্দ্রবিন্দুতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অভিযোগ, তাঁর কনভয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা।

ঠিক কী ঘটেছিল? (suvendu adhikari)
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় পুরুলিয়া থেকে কর্মসূচি শেষ করে কাঁথি–মেদিনীপুর রুট ধরে ফিরছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (subhendu adhikari)। রাত সাড়ে আটটা নাগাদ চন্দ্রকোনা রোড বাজারের চৌরাস্তা এলাকায় পৌঁছতেই তাঁর কনভয় আটকে যায়। অভিযোগ, রাস্তায় জড়ো হওয়া একদল লোক আচমকাই বাঁশ ও লাঠি নিয়ে কনভয়ের গাড়িগুলির দিকে তেড়ে আসে। কয়েকটি গাড়ির কাচে আঘাত করা হয় বলেও দাবি বিজেপির।
পরিস্থিতি কেন উত্তপ্ত হল? (suvendu adhikari)
ঘটনার পর দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও অভিযোগ, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এর পরেই চন্দ্রকোনা রোড পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে ইনচার্জের ঘরের সামনে মেঝেতে বসে পড়েন শুভেন্দু অধিকারী। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন
” যত ক্ষণ না আপনারা দোষীদের গ্রেফতার করছেন, তত ক্ষণ বসে থাকব। এখান থেকে উঠব না। এসপি-কে জানান। পদাধিকারীকে জানান যে আমরা বসে আছি।’’

শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ (suvendu adhikari)
বিরোধী দলনেতার দাবি, “এটা স্পষ্ট রাজনৈতিক হামলা। আমাকে ভয় দেখিয়ে চুপ করাতে চাইছে। কিন্তু আমি ভয় পাই না।”পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, হামলাকারীরা রাস্তায়বিক্ষোভ দেখিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়” তিনি আরও অভিযোগ করেন, তৃণমূল শাসনে পুলিশ কার্যত দলদাসে পরিণত হয়েছে।
তৃণমূলের পাল্টা সাফাই (suvendu adhikari)
যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ভিন্ন সুর শোনা গিয়েছে। মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি নির্মল ঘোষ (Nirmal Ghosh) দাবি করেন,“এটা ওঁদের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠী কোন্দল। তৃণমূলের কোনও কর্মী এতে জড়িত নয়।”
এই ঘটনার পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে বিরোধী দলনেতার নিরাপত্তা নিয়েই যদি এমন অভিযোগ ওঠে, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায় দাঁড়িয়ে? ভোটের মুখে রাজপথের এই অশান্তি কি প্রশাসনিক ব্যর্থতারই প্রতিচ্ছবি?
