(Suvendu Adhikari- Shankar Ghosh WB Assembly Speech)
Bengal Liberty Desk, ৫ ফেব্রুয়ারি, কলকাতা: আজ, বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের ভাষণের পরে ফের বসল বিধানসভার অধিবেশন। বক্তব্য রাখলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোদী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari- Shankar Ghosh WB Assembly Speech)। বক্তব্যের শুরুতেই বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে বিরোধী দলনেতা বলেন, “আপনারা যে পদ্ধতিতে BA (বিজনেস অ্যাডভাইজরি) কমিটির রেজল্যুশন বদল করলেন, সেটা গণতন্ত্রের পক্ষে সুখকর নয়।”
অধিবেশনে কারা বক্তৃতা করবেন, সেই বক্তাদের তালিকা নেই কেন? প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari- Shankar Ghosh WB Assembly Speech)।

SIR আলোচনা প্রসঙ্গে কী বললেন শুভেন্দু?(Suvendu Adhikari- Shankar Ghosh WB Assembly Speech)
SIR আলোচনা প্রসঙ্গে শুভেন্দু(Suvendu Adhikari- Shankar Ghosh WB Assembly Speech) বলেন, “SIR-এর ওপর যে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ছিল, আপনি আলোচনা করতে দেননি। সিদ্ধান্ত বাতিল হয়েছে। SIR নিয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের রেজল্যুশন নিয়ে বক্তব্য বাতিল হবে।”
শুভেন্দু বলেন, “বিধানসভায় বক্তৃতার সময়ে রাজ্যপাল পুরো ভাষণ পাঠ করেননি। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের জায়গায় তিনি আটকে যান। কারণ, বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় সরকার বিরোধী লেখা পড়তে চাননি। তাই মাত্র সাড়ে চার মিনিটে তিনি বক্তৃতা শেষ করেন।”
অনুপ্রবেশ খোঁচা শুভেন্দুর(Suvendu Adhikari- Shankar Ghosh WB Assembly Speech)
ভাষণে শুভেন্দু অধিকারী উল্লেখ করেন, “পশ্চিমবঙ্গের বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশ সমস্যা। অনুপ্রবেশ সমস্যায় ডেমোগ্রাফি বদল হচ্ছে। ৮ বার স্বরাষ্ট্রসচিব চিঠি দিয়েছেন সীমান্তে বেড়া দিতে জমি চেয়ে। হাইকোর্ট ৩১ মার্চের মধ্যে জমি দিতে বলেছে। কাঁটাতার দেওয়া যায়নি জমি সমস্যার কারণে। বাংলাদেশ থেকে যেভাবে রোহিঙ্গা ঢুকছে, তাতে জনসংখ্যার বদল ঘটছে।”
শুভেন্দু অধিকারীর(Suvendu Adhikari- Shankar Ghosh WB Assembly Speech) কথায়, বিরোধী দলের সাংসদ বিধায়করা আক্রান্ত হচ্ছেন। বিরোধী দলকে কর্মসূচি করতে আদালতে যেতে হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী নেত্রী ছিলেন। তিনি কতবার আদালতে গিয়েছেন? আমি তাঁর সঙ্গে ২১ বছর ছিলাম। তাই জানি।”
শঙ্কর ঘোষের বক্তব্য(Suvendu Adhikari- Shankar Ghosh WB Assembly Speech)
বিজেপির পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক শঙ্কর ঘোষের(Suvendu Adhikari- Shankar Ghosh WB Assembly Speech) অভিযোগ, অনুপ্রবেশেকারীদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছে রাজ্য সরকার। তিনি বলেন, “আনন্দপুরে ২৭ জন মারা গিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী সেখানে যেতে সক্ষম হননি। DA নিয়ে সুখবর দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আগে বলতেন কোর্টে জিতেছি, এ বার ভোটে জিতব। এ বার কি বলবেন? কোর্টে হেরেছি, ভোটেও হারব? ৭০ শতাংশ হারে ভোটার বৃদ্ধি হয়েছে।
২০১৪ সালে ভোটার ৩২ লক্ষ বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৩-১৪ নক্ষ ভোটার যুক্ত হওয়ার কথা। কিন্তু কী ভাবে এই বৃদ্ধি হল। BLO-দের কেন র্যাম্পে নিয়ে আসা হচ্ছে না?”

