July Uprising
Bengal Liberty:
বাংলাদেশের(Bangladesh Vote 2026) ত্রয়োদশ সাধারণ নির্বাচনে খাতা খুলল ‘বিজেপি’। সংক্ষিপ্ত নামটি অনেকের কাছে পরিচিত হলেও এই দলটির সঙ্গে ভারতের কোনও সম্পর্ক নেই। এখানে ‘বিজেপি’ বলতে বোঝানো হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফল একই দিন ঘোষণা করে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত ২৯৭টি আসনের ফল অনুযায়ী নিরঙ্কুশ সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং তাদের মিত্ররা।

বিএনপি একাই জিতেছে ২০৯টি আসন(Bangladesh Vote 2026)
জোটের মোট আসন সংখ্যা ২১২
মিত্রদের মধ্যে গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) এবং গণ অধিকার পরিষদ একটি করে আসন পেয়েছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোটসঙ্গীরা মোট ৭৭টি আসন পেয়েছে। সর্বশেষ হিসাবে জামায়েত একাই জিতেছে ৬৮টি আসন এবং ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৬টি।
প্রার্থিতা ও অংশগ্রহণ
এই নির্বাচনে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়।
মোট প্রার্থী ছিলেন ২০২৮ জন
নির্দল প্রার্থী ২৭৩ জন
মহিলা প্রার্থী ছিলেন ৮৩ জন
সবচেয়ে বেশি, ২৯১ জন প্রার্থী দেয় বিএনপি।

ভোলা–১-এ পার্থর জয়(Bangladesh Vote 2026)
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রার্থী আন্দালিব রহমান পার্থ ভোলা–১ আসন থেকে ১,০৫,৫৪৩ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়েত প্রার্থী মহম্মদ নজরুল ইসলাম পান ৭৫,৩৩৭ ভোট।
নির্বাচনী প্রচারে পার্থ ভোলা–১-কে “দক্ষিণের তিলোত্তমা” হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। তাঁর অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে—
ভোলা–বরিশাল সেতু নির্মাণ
একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন
গৃহস্থালি গ্যাস সংযোগ
মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধ
উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা
Suvendu on Jamaat-e-Islami Bangladesh: ‘ডবল ইঞ্জিন সরকারই সীমান্ত বাঁচাতে পারে’, বাংলাদেশে জামাতের উত্থান নিয়ে সরব শুভেন্দু
বিস্তারিত পড়ুন লিংকে ক্লিক করে: https://t.co/ZsZtkttqRm@SuvenduWB @BJP4India @BJP4Bengal @bengalliberty #suvenduadhikari #BangladeshElections2026 pic.twitter.com/5Ae7iyvYb1
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) February 15, 2026
পার্থর রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত পরিচয়(Bangladesh Vote 2026)
আন্দালিব রহমান পার্থ একজন রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও আইনজীবী। তিনি ভোলা–১ আসনের প্রাক্তন সাংসদ এবং ঢাকার ব্রিটিশ স্কুল অফ ল-এর অধ্যক্ষ। তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু ২০০৮ সালে, যখন চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে তিনি ভোলা–১ থেকে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে পরাজিত করেন।
২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি সংসদের সংস্থাপন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন (বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়)।
তিনি ভোলা–১-এর প্রাক্তন মন্ত্রী ও সাংসদ নাজিউর রহমান মঞ্জু এবং শেখ রেবা রহমানের ছেলে।

