Chorbagan Incident
SIT গঠন করল রাজ্য

চোরবাগানকাণ্ডে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে ছ’সদস্যের তদন্ত কমিটি, ৩ মাসে রিপোর্ট

চোরবাগানকাণ্ডের তদন্তে কলকাতা হাই কোর্ট অবসরপ্রাপ্ত কোনও বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই নবান্নের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে ছ’সদস্যের কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়েছে। কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী। এই কমিটিতে রয়েছেন বিপর্যয় মোকাবিলা ও নাগরিক সুরক্ষা দফতরের সচিব, রাজ্য স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের ডিজি ও আইজি, রাজ্য পুলিশের ডিজির প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র দফতরের প্রতিনিধি এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর এক সদস্য। প্রশাসন, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা সংক্রান্ত বিভিন্ন দফতরের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত এই কমিটি দুর্ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখবে। তদন্তের মূল লক্ষ্য, কী কারণে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল, তা নির্দিষ্ট করে দুর্ঘটনার দায় ও গাফিলতির বিষয়গুলি চিহ্নিত করা।

সপ্তমীর সন্ধ্যায় চোরবাগানের পুজোমণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যু হয়। কিন্তু ঠিক কী কারণে ওই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কলকাতা পুলিশ ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্তে একটি সিট গঠন করেছে। পাশাপাশি, হাই কোর্টের নির্দেশে গঠিত নতুন কমিটি ঘটনার সামগ্রিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দেখবে।দুর্ঘটনার দিন ঠিক কোন সময়ে, কোথায় এবং কী ভাবে প্রথম ভিড়ের চাপ তৈরি হয়েছিল, তা নির্ধারণ করতে হবে কমিটিকে। মণ্ডপের নির্ধারিত ধারণক্ষমতার তুলনায় দর্শনার্থীর সংখ্যা বেশি ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হবে। মণ্ডপ ভেঙে পড়ার ঘোষণা কিংবা বৃষ্টির কারণে ভিড়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও তদন্তের আওতায় থাকবে।

এ ছাড়া মণ্ডপের নিরাপত্তাব্যবস্থা, আয়োজক কর্তৃপক্ষের ভূমিকা এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, তা-ও খতিয়ে দেখবে কমিটি। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে কী কী পদক্ষেপ করা প্রয়োজন, সে সম্পর্কেও সুপারিশ জমা দিতে হবে তাদের। আগামী তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

Dipsikha Mandal
দীপশিখা মণ্ডল

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে ২০২৩ সালে সাংবাদিকতা জগতে প্রবেশ। ETV ভারত, এক্সপ্রেস নিউজ ঘুরে এখন বেঙ্গল লিবার্টি-তে। বিনোদন, দেশ দুনিয়ার খবরের প্রতি আগ্রহ রয়েছে। ঝোঁক বেশি রাজ্য এবং জেলার খবরে। ফটোগ্রাফিতেও সময় কাটে। অসময়ের সঙ্গী বই আর সিনেমা। নেশার বস্তু কফি, প্রকৃতি আর কবিতা।