Bengal Liberty
পাকিস্তানে(Pakistan TTP Attack) ক্রমশ ভয়াবহ আকার ধারণ করছে জঙ্গি হামলা। এবার খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের একটি পুলিশ চৌকিতে (Police Checkpost) ভয়ংকর হামলা চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (TTP) এই হামলা চালিয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে সন্দেহ করা হচ্ছে।প্রাথমিক রিপোর্টে ৭ জন পুলিশকর্মীর মৃত্যুর খবর সামনে আসে। তবে পরবর্তীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা আরও বেড়েছে। অবশ্য নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা অভিযানে একাধিক জঙ্গিও খতম হয়েছে।

রাতের অন্ধকারে হামলা(Pakistan TTP Attack)
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পুলিশ চৌকিতে অতর্কিতে হামলা চালায় জঙ্গিরা। প্রথমে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়া হয়, এরপর শুরু হয় এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ। দীর্ঘক্ষণ ধরে দু’পক্ষের মধ্যে তীব্র গুলির লড়াই চলে। পরবর্তীতে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এখনও পর্যন্ত কোনো সংগঠন আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার দায় স্বীকার না করলেও, পাকিস্তানের নিরাপত্তা মহলের সন্দেহের তির টিটিপির (TTP) দিকেই।

বেশ কিছুদিন ধরেই অশান্ত পাকিস্তান(Pakistan TTP Attack)
গত কয়েক সপ্তাহে পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে বালোচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি বড় ধরনের আক্রমণ চালানো হয়েছে। এতে বহু পুলিশ ও সেনাসদস্যের প্রাণহানি ঘটেছে। পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি যে ক্রমশ ভয়াবহ অবনতির দিকে যাচ্ছে, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
আরও খবর
আন্তর্জাতিক মহলের অবস্থান: ভারতের পাশে কারা, বিরোধিতায় কারা(Pakistan TTP Attack)
সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ফ্রান্স, ইজরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং অস্ট্রেলিয়া সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং নিরাপত্তা বিষয়ক সহযোগিতা জোরদার করেছে।
অন্যদিকে, কূটনৈতিকভাবে পাকিস্তানের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সমর্থকদের মধ্যে চীন ও তুরস্ককে প্রায়শই দেখা যায়। তবে বৈশ্বিক রাজনীতিতে অধিকাংশ দেশই সরাসরি কোনো পক্ষ না নিয়ে সব পক্ষকে সংযম রক্ষা, দ্বিপক্ষীয় আলোচনা এবং উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়ে আসছে। ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে “সমর্থন” বা “বিরোধিতা”—এই বিষয়টি সব ক্ষেত্রে একরৈখিক নয়; বরং ইস্যুভেদে বিভিন্ন দেশের অবস্থান পরিবর্তিত হয়।



