Bengal Liberty
মার্কিন রাষ্ট্রপতির আশ্বাসের(Israel Gaza Attack) পরও গাজা উপত্যকাজুড়ে ভয়াবহ হামলা চালাল ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।সূত্রের খবর, হামলায় অন্তত ৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি চুক্তির বার্তার পরও যে পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি, তা এই হামলার মাধ্যমে আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল। এর ফলে বিশ্বজুড়ে ফের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলার পর হামাসকে কড়া বার্তা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর স্পষ্ট বার্তা(Israel Gaza Attack)
“যতদিন পর্যন্ত হামাস অস্ত্র সমর্পণ না করবে, ততদিন যুদ্ধ চলবে। কোনো চুক্তি বা সমঝোতা কখনোই একতরফা হতে পারে না। উভয় পক্ষকেই চুক্তির মর্যাদা রক্ষা করে এগিয়ে আসতে হবে।”
ফের প্রশ্নের মুখে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিদেশনীতি(Israel Gaza Attack)
বাংলায় একটি প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে— ‘গায়ে মানে না আপনি মোড়ল’। সমালোচকদের একাংশের মতে, এই প্রবাদের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কূটনৈতিক ভূমিকায় কিছুটা মিল খুঁজে পাওয়া যায়।যখনই দুই দেশের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়, তখনই শান্তির বার্তা নিয়ে সামনে আসেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিছুদিন সেই উদ্যোগ সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে থাকলেও, পরে আবারও সংঘাত শুরু হয়। সমালোচকদের দাবি, ট্রাম্পের বিদেশনীতি বা কূটনৈতিক উদ্যোগ অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর প্রভাব ফেলতে পারছে না।
আরও খবর

সাম্প্রতিক এই হামলার পর সেই প্রশ্নই আবার সামনে এসেছে।ভারত-পাকিস্তান, রাশিয়া-ইউক্রেন কিংবা ইসরায়েল-ফিলিস্তিন— বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংঘাতের ক্ষেত্রেই ট্রাম্পের শান্তি উদ্যোগের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর পরও যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক নেতৃত্বের ভূমিকা কতটা কার্যকর, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক চলছে।তবে এ বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। কেউ ট্রাম্পের কূটনৈতিক উদ্যোগকে ব্যর্থ বলছেন, আবার কেউ মনে করছেন, জটিল আন্তর্জাতিক সংঘাতে এককভাবে কোনো দেশের পক্ষে দ্রুত সমাধান সম্ভব নয়। এদিকে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনও অনিশ্চিত। প্রতিদিনই বাড়ছে প্রাণহানির সংখ্যা এবং গভীর হচ্ছে মানবিক সংকট।



