UN Election
UN Election

রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব পদে বড় ধাক্কা! সাত প্রার্থীর বিরুদ্ধেই ভেটো নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের

Bengal Liberty : রাষ্ট্রসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে হবেন? তা নিয়ে জোর জল্পনার মধ্যেই তৈরি হল নতুন জট। রাষ্ট্রসংঘের শীর্ষ পদে বসার দৌড়ে থাকা সাত প্রার্থীর প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই আপত্তি জানাল রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অন্তত এক স্থায়ী সদস্য। শুক্রবারের অনানুষ্ঠানিক ভোটে উঠে এল এমনই ছবি। ফলে বর্তমান প্রার্থীদের মধ্যে কাকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত ঐকমত্য তৈরি হবে, তা নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা। -এর পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচনের প্রক্রিয়া এখন কার্যত কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মুখে।

কেন আপত্তি সাত প্রার্থীর বিরুদ্ধেই

রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য হল আমেরিকা, রাশিয়া, চিন, ব্রিটেন ও ফ্রান্স। এই পাঁচ দেশের হাতেই রয়েছে ভেটো ক্ষমতা। শুক্রবারের অনানুষ্ঠানিক ভোটে প্রথমবারের মতো আলাদা রঙের ব্যালট ব্যবহার করা হয়, যাতে স্থায়ী সদস্যদের মতামত পৃথকভাবে চিহ্নিত করা যায়। ভোটে প্রত্যেক প্রার্থীর বিরুদ্ধেই অন্তত একজন স্থায়ী সদস্যের ‘ডিসকারেজ’ বা নিরুৎসাহিত করার ভোট পড়েছে। এর অর্থ, প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই ভেটোর সম্ভাবনা রয়েছে।

এই দৌড়ে এখনও অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান। সর্বশেষ অনানুষ্ঠানিক ভোটে তিনিই সর্বাধিক সমর্থন পেয়েছেন। তবে পাঁচটি ‘ডিসকারেজ’ ভোটের মধ্যে দু’টি এসেছে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের কাছ থেকে। ফলে সমর্থনের নিরিখে এগিয়ে থাকলেও তাঁর পথ যে খুব একটা মসৃণ নয়, তা স্পষ্ট।

রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মোট ১৫টি সদস্য দেশ রয়েছে। পরবর্তী মহাসচিবের নাম সুপারিশ করার জন্য কোনও প্রার্থীকে অন্তত ৯টি ভোট পেতে হবে। পাশাপাশি পাঁচ স্থায়ী সদস্যের কারও ভেটো থাকলে সেই প্রার্থীর নির্বাচনের পথে বাধা তৈরি হতে পারে। নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের পর রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় চূড়ান্ত নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। নতুন মহাসচিব নির্বাচন করতে হবে। কিন্তু সাত প্রার্থীর কারও ক্ষেত্রেই স্থায়ী সদস্যদের পূর্ণ সমর্থন না মেলায় নতুন কোনও নাম এই দৌড়ে যুক্ত হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

Pushpak Bhattacharya
পুষ্পক ভট্টাচার্য

পুষ্পক ভট্টাচার্য একজন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করার পর ২০২৬-এ Bengal Liberty-তে সাংবাদিক হিসেবে তাঁর পেশাগত যাত্রা শুরু হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদ এবং ক্রীড়া সাংবাদিকতার প্রতি বিশেষ আগ্রহ। দেশ-বিদেশের সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ, আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং খেলাধুলার নানা বিষযয়ের প্রতি বিশেষ ঝোঁক। ব্যস্ততার বাইরে বই ও সিনেমা সঙ্গী।