Bengal Liberty:
জনগণনা ২০২৭-এ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের জন্য পশ্চিমবঙ্গের সকল নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাজ্যপাল আর. এন. রবি। শনিবার স্ব-গণনা সম্পন্ন করে কর্মসূচিতে সকলের অংশগ্রহণের আবেদন জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী; সেই একই বার্তা দিলেন রাজ্যপালও।

Census 2027
রাজভবন থেকে জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, জনগণনা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় কর্মসূচি, যা দেশের জনসংখ্যা ও পরিবার সম্পর্কিত নির্ভুল তথ্য সংগ্রহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। এই তথ্যের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতের উন্নয়ন পরিকল্পনা, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, জনপরিষেবা এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
আরও খবর
Census 2027
রাজ্যপাল জানান, এবারের জনগণনায় প্রথমবারের মতো নাগরিকরা ডিজিটাল ‘স্ব-গণনা’ বা ‘সেল্ফ-এনিউমারেশন’-এর মাধ্যমে নিজেরাই পরিবারের তথ্য অনলাইনে জমা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এর ফলে জনগণনায় অংশগ্রহণ আরও সহজ, দ্রুত এবং সুবিধাজনক হবে।
জনগণনা ২০২৭-এ সক্রিয় অংশগ্রহণের বার্তা,Census 2027

তিনি জানান, তিনি নিজেও ইতিমধ্যে স্ব-গণনা সম্পন্ন করেছেন। সেই সঙ্গে রাজ্যের প্রতিটি নাগরিককে se.census.gov.in পোর্টালে গিয়ে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্ব-গণনা সম্পন্ন করার আহ্বান জানান। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তথ্য দেওয়ার সময় নির্ভুল তথ্য দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি, স্ব-গণনা সম্পন্ন হওয়ার পর প্রাপ্ত আইডি-টি নিরাপদে সংরক্ষণ করার পরামর্শও দেন তিনি।
Census 2027
রাজ্যপাল আরও বলেন, অনলাইনে তথ্য জমা দেওয়ার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ে যখন জনগণনা কর্মীরা বাড়ি পরিদর্শনে যাবেন, তখন তাঁদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব। সঠিক ও সম্পূর্ণ তথ্য প্রদান করলে জনগণনার ফলাফল আরও নির্ভরযোগ্য হবে এবং তা উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
Census 2027

তিনি উল্লেখ করেন, জনগণনার মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য মানুষের প্রকৃত চাহিদা ও সামাজিক বাস্তবতা বুঝতে সহায়তা করবে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিকাঠামো, সামাজিক সুরক্ষা এবং অন্যান্য জনকল্যাণমূলক প্রকল্প আরও নিখুঁতভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
Census 2027
শেষে রাজ্যপাল আর. এন. রবি সকল নাগরিককে জনগণনা ২০২৭-এ অংশগ্রহণের পুনরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় কর্মসূচিকে সফল করা প্রত্যেকের দায়িত্ব। সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের পাশাপাশি ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তোলার লক্ষ্য পূরণেও নাগরিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।
আরও পড়ুনঃ “অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানো হবে”, জনগণনার সূচনা করেই হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর


