Bengal Liberty:
স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেশজুড়ে পালিত ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে এবার প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ নিতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ। আগামী ১০ অগস্ট কলকাতায় রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আয়োজন করা হবে একটি বিশাল তিরঙ্গা যাত্রা। পাশাপাশি নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরেও অরাজনৈতিক তিরঙ্গা যাত্রার ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

Har Ghar Tiranga
শুক্রবার আলিপুরের সার্ভে বিল্ডিং থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত তিরঙ্গা যাত্রায় অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী। এই কর্মসূচি সম্পর্কে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এটি ভবানীপুরের নাগরিকদের উদ্যোগে আয়োজিত একটি অরাজনৈতিক কর্মসূচি, সরকারি অনুষ্ঠান নয়। বিধায়ক হিসেবে তিনি এই আয়োজন করেছেন। ভবানীপুর বিধানসভা-সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দাদের বিকেল ৪টায় এই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আরও খবর
স্বাধীনতা দিবসের আগে ১০ অগস্ট কলকাতায় হবে তিরঙ্গা যাত্রা

এদিনের মিছিলে রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়, একাধিক বিজেপি বিধায়ক এবং কলকাতার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বহু সাধারণ মানুষ অংশ নেন। মহিলাদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।
Har Ghar Tiranga
অন্যদিকে, রাজ্য সরকারের তরফে সমস্ত জেলা, মহকুমা এবং ব্লক স্তরে মোট ৭০ লক্ষ জাতীয় পতাকা বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গত ৫ অগস্ট থেকেই রাজ্যজুড়ে পতাকা বিতরণের কাজ শুরু হয়েছে।
Har Ghar Tiranga
শুধু পতাকা বিতরণই নয়, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন এবং ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাকে তিরঙ্গার আলোকসজ্জায় সাজিয়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেসরকারি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলিকেও ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে রাজ্য সরকার।
Har Ghar Tiranga
আগামী ১০ অগস্ট কলকাতায় হবে মূল তিরঙ্গা যাত্রা। বিকেল ৩টায় ধর্মতলায় নেতাজির মূর্তির পাদদেশ থেকে মিছিল শুরু হয়ে বিড়লা তারামণ্ডলের ৭ নম্বর গেট পর্যন্ত যাবে। প্রায় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ এই যাত্রায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা, মুখ্যসচিব-সহ প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা অংশ নেবেন বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে।
Har Ghar Tiranga
মুখ্যমন্ত্রীর আশা, এই কর্মসূচিতে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ অংশ নেবেন। নবান্ন সূত্রের দাবি, ইতিমধ্যেই প্রায় ৩০ হাজার মানুষ তিরঙ্গা যাত্রায় অংশগ্রহণের সম্মতি জানিয়েছেন। স্বাধীনতা দিবসের আগে রাজ্যজুড়ে জাতীয় পতাকা ও দেশাত্মবোধের আবহ তৈরি করতেই এই বৃহৎ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ অভিষেকের পিএ সুমিত


