Bengal Liberty : দিল্লির যন্তর মন্তরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগে তিহাড় জেলে বন্দি ছিলেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই শীর্ষনেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। বুধবার স্পেশ্যাল এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে মুক্তি পেলেন তাঁরা। তবে জেলমুক্তি মিললেও স্বস্তি ফেরার আগে দিল্লি হাই কোর্টে তাঁদের আচরণ নিয়ে উঠল একাধিক প্রশ্ন। বিক্ষোভস্থলে প্রবেশ, জামিনের শর্ত ভঙ্গ এবং আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে সিজেপি নেতাদের ভর্ৎসনা করেন বিচারপতি সুব্রহ্মণ্যম প্রসাদ।
যন্তর মন্তরে ঢোকার অভিযোগ
সম্প্রতি দিল্লির যন্তর মন্তরকে অনুমোদিত প্রতিবাদস্থলের তালিকা থেকে সরিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ওই নির্দেশের পর সেখানে জমায়েত ও বিক্ষোভ কর্মসূচির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। এর মধ্যেই মঙ্গলবার সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার নেতৃত্বে সিজেপির কয়েক জন কর্মী লোহার দরজা টপকে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করেন। সেখানে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর পাশাপাশি ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দেন তাঁরা। পুলিশ প্রথমে তাঁদের আটক করে। পরে সৌরভ ও আশুতোষকে গ্রেফতার করা হয়।
১৪ অক্টোবর তাঁদের দিল্লির স্পেশ্যাল এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানো হলে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই থেকে তিহাড় জেলে ছিলেন দুই সিজেপি নেতা। পাঁচ দিন পর ফের আদালতে তোলা হলে তাঁদের জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানো হয়। বুধবার সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আবারও ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানো হয়েছিল তাঁদের। সওয়াল-জবাবের শেষে দুই নেতাকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন ম্যাজিস্ট্রেট।
আরও খবর
সিজেপিকে প্রশ্ন হাই কোর্টের
শুনানিতে সিজেপি নেতাদের আচরণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি প্রসাদ। তাঁর পর্যবেক্ষণ, কোনও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশের অনুমতি নেওয়ার উদ্দেশ্য শুধুমাত্র আন্দোলনকারীদের আটকানো নয়। বরং বিক্ষোভের কারণে যাতে অন্য কেউ যোগ দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করাও এর অন্যতম লক্ষ্য। বিভিন্ন দেশে ছাত্রবিক্ষোভ থেকে কী ভাবে পরবর্তী সময়ে অশান্তি ছড়িয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে, সেই প্রসঙ্গও তুলে ধরেন বিচারপতি।


