Bengal Liberty : ১০ হাজার টাকার ‘শান্তি বন্ড’ নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (এআইএসএ)-এর সভাপতি নেহা বোরা। তাঁর দাবি, ককক্রোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র বিক্ষোভের ডাকের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই। অথচ বিক্ষোভের জেরে আটক হওয়ার পর তাঁকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধেই তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
শান্তিভঙ্গ বা আশঙ্কা তৈরির মতো কাজ করেননি, দাবি নেহার আইনজীবির
প্রসঙ্গত, ১৬ অক্টোবর দিল্লির মান্ডি হাউস থেকে মিছিল করে কনট প্লেসের দিকে যাওয়ার পথে নেহা বোরাকে আটক করা হয়। সিজেপি-র ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ মিছিলে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি যাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তবে পরের দিনই তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। এরপর ১৭ অক্টোবর বিশেষ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে নোটিশ পাঠান। ১৯ অক্টোবর ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হয়ে তাঁকে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয় যে, কেন তদন্ত চলাকালীন শান্তি বজায় রাখার জন্য ১০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ড এবং একজন জামিনদার দিতে হবে না। দিল্লি হাই কোর্টে নেহার আইনজীবী যুক্তি, তিনি কোনও অপরাধ বা এমন কোনও কাজ করেননি, যা থেকে শান্তিভঙ্গ বা হিংসা ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। শুধুমাত্র প্রতিবাদ বা বিক্ষোভে অংশ নেওয়াকে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা হিসেবে দেখা যায় না। এমনটাই যুক্ত নেহার আইনজীবীর।
নেহার দাবি, তিনি ১৬ অক্টোবর বিকেল ৫টায় মান্ডি হাউসে শান্তিপূর্ণ জমায়েতের ডাক দিয়েছিলেন। সেন্ট্রাল পার্কে বিক্ষোভের যে ডাক দেওয়া হয়েছিল, তার সঙ্গে ওই কর্মসূচির সম্পর্ক নেই বলেও দাবি তাঁর। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করা নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার। সেই অধিকার খর্ব করার জন্য প্রতিরোধমূলক আইনি ক্ষমতা ব্যবহার করা যায় না। একথা সাফ জানান নেহা।
জানা যায়, পুলিশের নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে, মান্ডি হাউস এলাকায় বিক্ষোভের সময় নেহা বোরা তারস্বরে স্লোগান দিয়ে রীতিমত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিলেন। এমনকী, নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও যন্তর মন্তর এলাকায় বারবার বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এবং কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে অনুমতিহীন বিক্ষোভে যোগ দিতে মানুষকে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জনশান্তি ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনটাই পুলিশের ঙনোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে।


