Bengal Liberty : পুরভোটের প্রস্তুতির আবহে বিধানসভায় কুণাল ঘোষ ও তৃণমূল বিধায়ক সন্দীপন সাহার প্রায় আধ ঘণ্টার কথোপকথন ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। বিজয়ার সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করেছেন দু’জনে। তবে পুরভোটের টিকিট বণ্টন এবং তৃণমূলের অন্দরে শিবিরগত সমীকরণ নিয়ে যখন চর্চা তুঙ্গে, তখন এই একান্ত আলাপকে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছে না রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
কুণাল ঘোষের কথায়, “হ্যাঁ, বিধায়কের সঙ্গে দেখা হল। তিনি আবার আমার পাশের কেন্দ্রের বিধায়ক। বিজয়ার পরে দেখা হল, সৌজন্য বিনিময় করলাম। আমরা দু’জনেই রাজনীতির লোক, রাজনৈতিক আলোচনা তো হবেই।” অর্থাৎ, রাজনৈতিক আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি তিনি। যদিও ঠিক কী নিয়ে কথা হয়েছে, তা খোলসা করেননি।
অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সন্দীপন সাহা বলেন, “বাংলায় সৌজন্য তো দস্তুর। বিজয়ার পরে দেখা হল, সৌজন্য বিনিময় করলাম। বেশ কিছু কথা হল।” তবে সেই কথাবার্তায় রাজনৈতিক প্রসঙ্গ উঠেছিল কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি তিনি।
আরও খবর
রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূলের অন্দরে বিভাজন এবং পৃথক শিবিরের অবস্থান রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে। এরই মধ্যে কয়েক দিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দল ছেড়ে যাওয়া নেতাদের নিজের দলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে তাঁদের ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন।
সেই বক্তব্যের পর কুণাল ও সন্দীপনের এই সাক্ষাৎ ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে। এদিকে, পুরভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে এখনও কিছুটা সময় লাগতে পারে। কলকাতা-সহ সাতটি পুরসভার ভোটের আগে খসড়া ভোটার তালিকা তৈরির কাজ এবং ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের জটিলতা রয়েছে। কলকাতা পুরসভায় ১৪৪টি ওয়ার্ডের পরিবর্তে ২০৯টি ওয়ার্ড হওয়ায় নতুন ওয়ার্ড অনুযায়ী ভোটারদের তালিকা প্রস্তুত করতে হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের দাবি, সেই সময়কে কাজে লাগিয়ে ভোটের প্রস্তুতির জন্য ঘর গোছাচ্ছে কালীঘাট শিবির।


