Bengal Liberty : “মাইক বাজানোর ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা ছিল। পূর্বতন সরকার মাইক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করত।” বিজয়া সম্মেলনের মঞ্চ থেকে এভাবেই পূর্বতন তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে দুর্গাপুজোয় বিধিনিষেধ আরোপের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, একসময় নির্দিষ্ট সময়ে মাইকের আওয়াজ কমিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হত। এমনকী, দুর্গাপুজোর অনুমতি পেতেও একাধিক পুজো কমিটিকে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছে। তবে নতুন সরকারের আমলে সেই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হয়নি বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষ নিজেদের ধর্ম পালনের পাশাপাশি স্বতঃস্ফূর্তভাবে দুর্গাপুজোয় অংশগ্রহণ করেছেন। “এটাই নতুন পশ্চিমবঙ্গ, এটাই পরিবর্তনের পশ্চিমবঙ্গ।”
সোমবার কলকাতার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে কলকাতা ও হাওড়ার প্রায় আট হাজার পুজো উদ্যোক্তার উপস্থিতিতে আয়োজিত বিজয়া সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে চোরবাগানের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই ঘটনায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকপ্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে তাঁর দাবি, চোরবাগানের দুর্ঘটনা বাদ দিলে রাজ্যজুড়ে ৬৬ হাজারেরও বেশি দুর্গাপুজো শৃঙ্খলাবদ্ধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
এদিন ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। কিন্তু ধর্ম যার যার, ধর্মরক্ষার দায়িত্বও তার তার।” তাঁর বক্তব্য, এবারের দুর্গাপুজোয় বাংলার মানুষ নিজেদের ধর্মীয় অধিকার রক্ষা এবং উৎসব পালনের দায়িত্ব স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালন করেছেন। চোরবাগানের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী দিনে উৎসবের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার কথাও জানান তিনি। তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, ভবিষ্যতে পুজোর সময় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।


